নবম পে-স্কেলে শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো প্রণয়নের দাবির বিষয়ে পে-কমিশনের চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো চালুর দাবি জানিয়ে আসলেও শেষ পর্যন্ত পে-কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি তাদের এখতিয়ারভুক্ত নয়।
পে-কমিশন সূত্র জানায়, কমিশন বিদ্যমান বেতন গ্রেড কাঠামোর মধ্যেই সুপারিশ দেবে। শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো নির্ধারণ মূলত সংশ্লিষ্ট সার্ভিস কমিশনের আওতাধীন হওয়ায় পে-কমিশনের পক্ষে এ বিষয়ে কোনো সুপারিশ করা সম্ভব নয়।
এদিকে, ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর সভাপতি ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম জানিয়েছেন, পে-কমিশনের পক্ষ থেকে সুপারিশ না এলেও শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর দাবি থেকে তারা সরে আসবেন না। নির্বাচিত সরকারের কাছে এ দাবি জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান।
তিনি গণমাধ্যমে বলেন, কমিশনের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করা হলে চেয়ারম্যান শুরুতে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সুপারিশ না আসা শিক্ষকদের জন্য হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জানা গেছে, গত জুলাইয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গঠিত পে-কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশমালা জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সে অনুযায়ী আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি কমিশনের কার্যকাল শেষ হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নিয়ে আলোচনা ও দাবি অব্যাহত থাকলেও বিষয়টির বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে।
আফরিনা সুলতানা/










