৬ জানুয়ারিতেই জকসু নির্বাচন হবে: অধ্যাপক রইছ উদ্দীন

ছবি- সংগৃহীত।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেছেন, আগামী ৬ জানুয়ারিতেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে যতটুকু করণীয় আছে, তার সবটুকুই করা হবে ইনশাআল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে জকসু নির্বাচন ও সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক রইছ উদ্দীন বলেন, জকসু নির্বাচন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম ছাত্র সংসদ নির্বাচন। এখানে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবেন এবং আমাদের সবার প্রতিনিধিত্ব করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. বেলাল হোসাইন বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৮টায় উপাচার্য একটি জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন। ওই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে জকসু নির্বাচন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং উপস্থিত সকল সদস্যই এ সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দেন।

তিনি জানান, সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন সভায় উপস্থিত ছিলেন। অথচ সভা শেষে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং বিশেষ করে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীনকে এ সিদ্ধান্তের জন্য দায়ী করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় তাঁর বিভাগীয় কক্ষে তালা লাগানো হয় এবং প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রশাসনবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে যারা এ ধরনের ঘৃণিত কাজ করেছে, তারা শিক্ষক সমাজের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছে।

লিখিত বক্তব্যে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, জকসু নির্বাচনের নীতিমালা অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের নেতৃত্বেই প্রণীত হয়েছে। মাত্র দেড় মাসের মধ্যে খসড়া নীতিমালা প্রস্তুত করে তা সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে সিন্ডিকেটের দুটি কমিটি, ইউজিসির কমিটি এবং সর্বশেষ মন্ত্রণালয়ের কমিটিতেও তিনি নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের সঙ্গে কাজ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়াকে কেন্দ্র করে কিছু শিক্ষার্থী এবং কিছু মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ উদ্দেশ্যমূলকভাবে অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীনকে দায়ী করছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে এ ধরনের অপপ্রচার ও ঘৃণিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

মালিহা নামলাহ/