পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক চাকরির বাজারে নেতৃত্ব ও ব্যবসায়িক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ার গড়তে ২০২৬ সালেও পেশাজীবীদের জন্য মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) সেরা বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে স্বল্পমেয়াদি কোর্সের জনপ্রিয়তা বাড়লেও করপোরেট বিশ্বে এমবিএ ডিগ্রির গ্রহণযোগ্যতা এখনো অটুট। বিশেষ করে ব্যবস্থাপনা, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং নেতৃত্বমূলক দক্ষতা অর্জনে এই স্নাতকোত্তর ডিগ্রিটি পেশাজীবীদের প্রথম পছন্দে পরিণত হয়েছে।
কেন করবেন এমবিএ? বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এমবিএ করার প্রধান আকর্ষণ হলো উচ্চতর বেতন ও দ্রুত পদোন্নতির সুযোগ। আইটি, ফাইন্যান্স, স্বাস্থ্যসেবা ও মার্কেটিংয়ের মতো খাতে সিনিয়র পদের জন্য এমবিএ গ্র্যাজুয়েটরা অগ্রাধিকার পাচ্ছেন। এছাড়া এই কোর্সের মাধ্যমে যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা এবং দল পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ‘সফট স্কিল’ আয়ত্ত করা সম্ভব হয়।
বিশেষায়িত শিক্ষার সুযোগ: বর্তমান সময়ে সাধারণ এমবিএর পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং, বিজনেস অ্যানালিটিকস এবং ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসের মতো বিশেষায়িত বিষয়ের চাহিদা তুঙ্গে। শিক্ষার্থীরা তাদের লক্ষ্য অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে নিজেদের অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখছেন।
নেটওয়ার্কিং ও ভবিষ্যৎ: এমবিএ প্রোগ্রামের অন্যতম শক্তিশালী দিক হলো শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি। শিক্ষক, শিল্প বিশেষজ্ঞ এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে গড়ে ওঠা এই যোগাযোগ ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ও কর্মসংস্থানে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ও স্টার্টআপ সংস্কৃতির প্রসারে দক্ষ ম্যানেজারের চাহিদা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ চাকুরিজীবী কিংবা উদ্যোক্তা—ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন আনতে এমবিএ একটি কার্যকর মাধ্যম। যারা আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞানের সঙ্গে এমবিএ ডিগ্রিকে মেলাতে পারবেন, ২০২৬ সালের জব মার্কেটে তারাই সবচেয়ে বেশি এগিয়ে থাকবেন।
মালিহা










