জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও কর বৃদ্ধিতে তামাকের ওপর সুনির্দিষ্ট করারোপ জরুরি বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, বহুজাতিক তামাক কোম্পানিগুলো ব্যবসা বৃদ্ধি ও সরকারের নীতিতে হস্তক্ষেপের জন্য নানা ধরনের তত্ত্ব নিয়ে হাজির হয়। সরকারের শক্তিশালী তামাক কর নীতি না থাকার সুযোগ নিয়ে কৌশলে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে তামাক কোম্পানি। ফলে তামাকজনিত রোগে মৃত্যু ও চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি হলেও সেই তুলনায় রাজস্ব বৃদ্ধি হয়নি। এক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও কর বৃদ্ধিতে সুনির্দিষ্ট করারোপ জরুরি।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর ট্যোবাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি) আয়োজিত ‘তামাকজাত দ্রব্যের ওপর সুনির্দিষ্ট করারোপ : জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধির কার্যকর উপায়’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারের তারা এসব কথা বলেন।
ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের সাবেক মহাপরিচালক মো. শাহাদৎ হোসেন মাহমুদ, তামাকমুক্ত রেলওয়ে প্রকল্পের কন্সালটেন্ট ও জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল (এনটিসিসি) এর সাবেক সমন্বয়কারী হোসেন আলী খোন্দকার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল্লাহ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বিএনটিটিপির টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ড. রুমানা হকের সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএনটিটিপি’র প্রজেক্ট ম্যানেজার হামিদুল ইসলাম হিল্লোল এবং সঞ্চালনা করেন বিএনটিটিপি’র সিনিয়র প্রজেক্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার ইব্রাহীম খলিল।
বক্তারা বলেন, তামাক কোম্পানি একেক সময় একেক মিথ্যাচার ও মিথকে টার্গেট করে। সম্প্রতি দেখেছি তারা অবৈধ ব্যবসা নিয়েও খুব প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। তারা এনবিআরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও এ বিষয়ে বিশ্বাস করিয়ে ফেলেছে। কিন্তু এ বিষয়ে যতোগুলো গবেষণা দেশে হয়েছে কোনটাতেই এর সত্যতা পাওয়া যায়নি। তারপরও ব্যবসা বৃদ্ধি ও নীতিতে হস্তক্ষেপের জন্য চেরাচালান তত্ত্ব নিয়ে হাজির হচ্ছে। ফলে সরকারের উচিত জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক কোম্পানির মিথ্যাচারে কর্ণপাত না করে সুনির্দিষ্ট করারোপ করা।
বায়েজীদ মুন্সি










