পুলিশ নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের নাম আলাউদ্দিন বলে নিশ্চিত করেছে। অন্যদের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। আলাউদ্দিনকে আজ বিকেলে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি চারজনের লাশ সন্ধ্যা পর্যন্ত জাগলার চরেই পড়ে ছিল বলে জানা গেছে। লাশ উদ্ধারে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে।
তবে স্থানীয় অপর একটি সূত্র নিহতের সংখ্যা ছয় বলে দাবি করেছে। স্থানীয় লোকজন জানান, ঘটনাস্থলে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম নদীপথ। এ কারণে সকালে ঘটনা ঘটলেও তা দুপুরের পর জানাজানি হয়। খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হাতিয়া থানার পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ফিরতে পারেনি।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, জাগলার চরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় সংগ্রহ করা হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনও পাঁচজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আরও একজনের অবস্থা গুরুতর।










