নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দল পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সুরেই বিএনপির বিরুদ্ধে গান গাইছে। অথচ এই রাজনৈতিক দলের দুইজন সদস্য একসময় বিএনপি’র বদান্যতায় সরকারের অংশীদার ছিল। এই রাজনৈতিক দলটির কথবাত্রা, কর্মকাণ্ডের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর খামার বাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ছাত্রদলের অংশগ্রহণে বিএনপি’র ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় তারেক রহমান বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যরা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন টিকিট বিক্রি করছে। যে জিনিসের মালিক আমি না সেই জিনিস আমি কিভাবে বিক্রি করতে পারি? একজন মানুষ জান্নাতে যাবে কিনা সেটা নির্ধারণ করবেন সৃষ্টিকর্তা। এটা যদি আমি নির্ধারণ করতে যাই তাহলে সৃষ্টিকর্তাকে অমান্য করা হয়। এটা এক ধরনের শিরক।
তারেক রহমান আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে অনেকবার বলেছি, সামনে অনেক কঠিন সময় আসবে। বিভিন্ন ষড়যন্ত্র হবে। গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ কঠিন হবে। এখন নিশ্চয়ই আপনারা আমার কথার সত্যতা পাচ্ছেন। তবে সবাই ঐক্য ধরে রাখুন। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই বিএনপি সমস্ত ষড়যন্ত্র রুখে দিবে ইনশাআল্লাহ।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার প্রধান অস্ত্র গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। বিএনপি সারাজীবন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে গেছে। আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে আবারো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে। তবে সামনের পথগুলো অনেক কঠিন হবে।
এ সময় উপস্থিত ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশ গড়ার কর্মসূচি নিয়ে সারাদেশে ছড়িয়ে যেতে হবে। প্রত্যেক শ্রেণী পেশার মানুষের দরজায় যেতে হবে। তাদেরকে বোঝাতে হবে বিএনপি’র পরিকল্পনার মধ্যে আপনার জন্য এটা আছে।
তারেক রহমান বলেন, বর্তমানে যেসব সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, অনেক আগেই বিএনপি ৩১ দফায় তুলে ধরেছে। আমাদের দেশ গড়ার পরিকল্পনা কর্মসূচির মধ্যে এসব বিষয়গুলো রয়েছে। আগামীতে জনগণের ভোটে বিএনপির নির্বাচিত হলে দেশ গড়তে কোন কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করবে তা সাধারন মানুষকে বোঝাতে হবে।









