প্রযুক্তি বিশ্লেষক Mark N. Vena বলেছেন, Samsung Galaxy XR অত্যাধুনিক হলেও এটি এখনো মূলধারার ব্যবহারকারীদের জন্য অপরিহার্য নয়।
ডিভাইসটির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো যেকোনো স্থানে বড় পর্দার অভিজ্ঞতা তৈরি করা এবং একাধিক ভার্চুয়াল মনিটর ব্যবহার করে কাজ করা সম্ভব। ভ্রমণকারী, ছোট বাসায় থাকা ব্যবহারকারী বা রিমোট কর্মীদের জন্য এটি আকর্ষণীয় হতে পারে।
গ্যালাক্সি এক্সআর ৫৪৫ গ্রাম ওজনের, সঙ্গে ৩০২ গ্রাম বাহ্যিক ব্যাটারি। তুলনায় Apple Vision Pro কিছু ভারী। ফলে দীর্ঘ ব্যবহারে আরামদায়ক হলেও অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।
ডিভাইসটির পাসথ্রু প্রযুক্তি ব্যবহারকারীকে বাস্তব পরিবেশ দেখতে সাহায্য করে। হাতের অঙ্গভঙ্গি, চোখের নড়াচড়া ও ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য আলাদা কন্ট্রোলারও রয়েছে।
অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক অ্যাপ সমর্থন থাকলেও এখনো কোনো “কিলার অ্যাপ” আসেনি, যা ব্যবহারকারীদের প্রতিদিন এই ডিভাইস ব্যবহারে বাধ্য করবে। স্যামসাং এআইকে মূল শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে, তবে ফোনে ইতোমধ্যেই এআই থাকায় এটি আলাদা করে প্রমাণ করতে হবে।
গ্যালাক্সি এক্সআর ১,৭৯৯ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে, যা অ্যাপলের ৩,৪৯৯ ডলারের তুলনায় অনেক কম। তবে সাধারণ ক্রেতারা বিকল্প পণ্য ও অভ্যাসও বিবেচনা করেন।
বর্তমানে এটি সবচেয়ে উপযোগী ভ্রমণকারী, ছোট বাসস্থানবাসী ও রিমোট কর্মীদের জন্য। হার্ডওয়্যার সফল হলেও এক্সআর প্রযুক্তি এখনো মূলধারার দৈনন্দিন ব্যবহারে পৌঁছায়নি।
সূত্র: টেকনিউজ ওয়ার্ল্ড
সাবরিনা রিমি/










