আইসিসির প্রতিটি টুর্নামেন্টেই ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ আলাদা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু থাকে। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এবার মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি দুই দলের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা নিয়েও বাড়তি আলোচনা হচ্ছে। সুপার এইট পর্বে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীই চাপে, দু’দলই এখন খাদের কিনারায়।
পাকিস্তানের সমীকরণ:
সুপার এইটের গ্রুপ ২-এ থাকা পাকিস্তানের প্রথম ম্যাচ ছিল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে, যা বৃষ্টির কারণে স্থগিত হয়ে যায়। এরপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে পাকিস্তান হেরে যায় মাত্র ২ উইকেটে। হারের ফলে পাকিস্তানের পয়েন্ট দাঁড়ায় ১, নেট রানরেট -০.৪৬১। অন্যদিকে, ইংল্যান্ড ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তানকে এখন নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার ফলাফলের ওপর নির্ভর করতে হবে।
নিউজিল্যান্ড যদি পরের দুটি ম্যাচ হারে, পাকিস্তান শুধু শ্রীলঙ্কাকে হারালেই সেমিফাইনালে উঠতে পারবে। তবে নিউজিল্যান্ড একটি ম্যাচ জিতলে পাকিস্তানকে শুধু শ্রীলঙ্কাকে হারাতে হবে না, নেট রানরেটও বিবেচনায় নিতে হবে। নিউজিল্যান্ড যদি দুটোই জিতে যায়, তাহলে পাকিস্তান কোনো সমীকরণ ছাড়াই বিদায় নেবে।
ভারতের সমীকরণ:
গ্রুপ ১-এ থাকা ভারত প্রথম ম্যাচে সাউথ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানে হেরে যায় এবং নেট রানরেট -৩.৮। ফলে ভারতের জন্য সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পরের দুটি ম্যাচ জিতলেই হবে, কিন্তু পাশাপাশি প্রতিপক্ষকেও বড় ব্যবধানে হারাতে হবে।
সাউথ আফ্রিকার হাতে এখন দুই ম্যাচ বাকি। প্রোটিয়াররা যদি দুটোই জিততে পারে, তাহলে তাদের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৬। ভারত পরের দুটি ম্যাচ জিতলেই ৪ পয়েন্টে পৌঁছাবে। তবে সেক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা জিম্বাবুয়ের ফলাফলের ওপর ভারতকে তাকিয়ে থাকতে হবে। ভারতকে সেমিফাইনালে ওঠার জন্য কেবল নিজের ম্যাচ জেতা নয়, অন্যান্য দলের ফলাফল ও রানরেটের দিকে নজর রাখতে হবে।
-এমইউএম










