দক্ষিণী চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় তারকাযুগল বিজয় দেবরকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা বিয়ের আগে উদয়পুর পৌঁছে গিয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, উদয়পুরে তাদের বিবাহ পূর্ববর্তী সমস্ত আয়োজন শুরু হয়ে গেছে। সামাজিক মাধ্যমের পাতায় ভক্তরা দেখতে পাচ্ছেন পুলের ধারে সাজানো গ্লাসের ছবি, নৈশভোজের আলোকছায়ার ছবি, আর একে একে চলা অনুষ্ঠানের নানা মুহূর্ত—সবই ভক্তদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। পাঁচ বছর একসঙ্গে বসবাসের পর বিজয় ও রশ্মিকা এবার স্থায়ীভাবে সংসার শুরু করতে যাচ্ছেন।
বিজয়ের বাবা-মার কাছে হবু পুত্রবধূর জন্য দুটি শর্ত রয়েছে। ২০১৮ সালে, যখন বিজয়-রশ্মিকার প্রথম ছবি ‘গীত গোবিন্দম’ বক্সঅফিসে সাড়া ফেলেছিল, তখন এক সাক্ষাৎকারে বিজয়ের মা মাধবী দেবরকোন্ডা বলেন, তিনি চান পুত্রবধূ তার ছেলের খেয়াল রাখুক এবং নিঃশর্ত ভালোবাসা দিয়ে তাকে ঘিরে রাখুক। আরেকটি শর্ত হলো, পাত্রী দক্ষিণ ভারতীয় হওয়া। মাধবী দেবরকোন্ডা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই দুটি গুণ থাকলে তিনি সন্তুষ্ট হবেন।
এই শর্তগুলো মূলত পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সম্পর্কের সুস্থ ভিত্তি নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত। বিজয় ও রশ্মিকার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং প্রেমের গভীরতা এই শর্তগুলো মেনে চলার মধ্য দিয়ে আরও দৃঢ় হয়েছে। এ কারণে তাদের সম্পর্কের স্থায়িত্ব এবং পারিবারিক সম্মতি আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিফলিত হয়।
উদয়পুরে চলা বিয়ের আয়োজন এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। একদিকে রয়েছে তাদের দীর্ঘদিনের প্রেম এবং একসঙ্গে জীবনযাপন, অন্যদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত শর্ত সব মিলিয়ে এই বিয়ে দক্ষিণী বিনোদন জগতের অন্যতম আলোচিত ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। বিজয় ও রশ্মিকার সুখী দাম্পত্য জীবন এবং পারিবারিক সম্মতির গল্প ভক্তদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করছে।
এই বিয়ের মাধ্যমে শুধু তাদের প্রেম নয়, পরিবারিক ঐতিহ্য ও পারস্পরিক সম্মতির গুরুত্বও ফুটে উঠেছে। উদয়পুরের মনোরম পরিবেশ, সাজানো অনুষ্ঠান এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত মুহূর্তগুলো ভক্তদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলেছে, যা দক্ষিণী বিনোদন জগতের অন্যতম চমক হিসেবেও উল্লেখযোগ্য।
-বিথী রানী মণ্ডল










