বগুড়া-৬ ছাড়ছেন তারেক রহমান, শপথ ঢাকা-১৭ থেকে

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬—এই দুটি আসন থেকেই জয়লাভ করেছেন। বাংলাদেশের সংবিধান ও নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী একাধিক আসন থেকে নির্বাচিত হলে তাকে একটি আসন বেছে নিতে হয় এবং বাকি আসনটি ছেড়ে দিতে হয়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উভয় আসনেই জয়লাভ করেছেন তারেক রহমান। তবে আইন অনুযায়ী একাধিক আসনে নির্বাচিত হলেও একটি আসনই ধরে রাখতে পারবেন তিনি। সে ক্ষেত্রে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়ে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দুটি আসনে নির্বাচিত হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি আসন রেখে বাকি আসন/আসনগুলো লিখিতভাবে ছেড়ে দিতে হয়।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ধারা ১৯(১)(খ) অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি একই সাধারণ নির্বাচনে একাধিক আসন থেকে প্রার্থী হতে এবং নির্বাচিত হতে পারেন। তবে ধারা ১৯(২) অনুযায়ী, একাধিক আসনে নির্বাচিত হলে গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয় তিনি কোন আসন রাখতে চান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে অবশিষ্ট আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করা হবে বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে।

ঢাকা-১৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী তারেক রহমান পেয়েছেন ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন তিনি।

এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৩ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৮৮টি। বাতিল হয়েছে ২ হাজার ২১১টি এবং বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৭৭টি।

আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করে সেখানে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন
—এমনটাই জানা গেছে সংশ্লিষ্ট সূত্রে।

_এজাজ আহম্মেদ/মামুন