কেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ক্লাব হতে যাচ্ছে গুলশান সাউথ ক্লাব?

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা হলেও, ঢাকার রাজধানী গুলশান, সেটা সবাই স্বীকার করে। কারণ, কাউকে যদি বলা হয়, আপনি বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী এলাকার নাম বলেন, তাহলে নিঃসন্দেহে সে সবার আগে গুলশান এলাকার নামই বলবে।
অনেকের মতে ,” ইটস ম্যানহাটন অব নিউইয়র্ক অথবা বেভারলি হিলস্ অব লস অ্যাঞ্জেলস “। কারণ গুলশানে এখন বড় বড় সব জায়ান্ট কর্পোরেট হাউসগুলোর হেড অফিস। যেমন, বহুজাতিক টেলিকম কোম্পানি রবি,এয়ারটেল , বাংলালিংক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো ও ইউনিলিভারসহ সবগুলো ব্যাংকের স্থায়ী প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত। তাছাড়া রয়েছে অনেকগুলো বিলাস বহুল পাঁচ তারকা হোটেল ও ৫০ টির বেশি গেস্ট হাউস। এছাড়াও গুলশান – বারিধারা আবাসিক এলাকায় পৃথিবীর প্রায় ৬০ টির ও বেশি দেশের দূতাবাস রয়েছে।
গুলশানে বাংলাদেশের সবচেয়ে এলিট শ্রেণির লোক বাস করে। গুলশানের ক্লাবগুলো এখন খুবই জমজমাট। রাত হলেই জমে ওঠে ক্লাবগুলো। গুলশানে নাইট লাইফ খুবই জনপ্রিয়। রাত যতই গভীর হয়, ততই সেখানে বিলাসবহুল গাড়িগুলো ক্লাবের আঙ্গিনা পেরিয়ে বাইরের রাস্তা গুলিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
এখন আসি “গুলশান সাউথ ক্লাব” কেন একটি সেরা ক্লাব হবে
গুলশান সাউথ এরিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর্পোরেট হাউস এবং ব্যাংক গুলোর স্থায়ী প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
বর্তমানে সিটি ব্যাংক, শাহজাহান ইসলামী ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক , এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক , যমুনা ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক,উরি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এন,এ, ইউসিবি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এইচ এস বি সি, ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক,পদ্মা ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, মিচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক সহ প্রায় ২০টিরও বেশি ব্যাংকের স্থায়ী হেড অফিস গুলশান সাউথে অবস্থিত।
এছাড়া রবি ও বাংলালিংক এর প্রধান কার্যালয় গুলশান সাউথেই অবস্থিত। কর্পোরেট হাউজ গুলির মধ্যে ডিবিএল গ্রুপ, পারটেক্স গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, রানার গ্রুপ, ইফাদ গ্রুপ, সুপারস্টার গ্রুপ, এনার্জিপ্যাক গ্রুপ, এডিসন, রেনকন, শান্তা, পারটেক্স স্টার গ্রুপ, ইস্পাহানী গ্রুপ,এক্সপো গ্রুপ, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো , এম আর গ্রুপ, গোল্ড সেন্ডস্ গ্রুপ, গ্লোব গ্রুপ, এরিস্টো ফার্মা গ্রুপ, ইস্ট কোস্ট গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, এসিআই
তাছাড়াও ফ্যাশন হাউস গুলোর মধ্য রয়েছে, ভাসাবি জারা, প্রেমস কালেকশন এবং আড়ং।
জুয়েলারি হাউজ গুলোর মধ্য ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, আপন জুয়েলার্স, নিউ জড়ুয়া গুলশান সাউথে অবস্থিত । গুলশান সাউথই রয়েছে সুইচ টেল ও হায়াত রিজেন্সি নামে বিলাস বহুল ২টি পাঁচ তারকা হোটেল। শপিং মল গুলির মধ্য রয়েছে, গুলশান সার্কেল – ১, এ নির্মিত হচ্ছে ৩৫ তলা বিশিষ্ট ডি,এন,সি,সি শপিং মল, রয়েছে নাভানা সেন্টার শপিং মল ও পুলিশ প্লাজা কনকর্ড।
সাউথে রয়েছে, দৃষ্টিনন্দন হাতিরঝিল ও ডাঃ ফজলে রাব্বি সাউথ পার্ক। বাংলাদেশের সাংহাই ও নিউইয়র্ক হিসেবে খ্যাত গুলশান – তেজগাঁও লিং রোডে বর্তমানে ৪১ তলা কমার্শিয়াল স্পেস নির্মাণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে ১০০ তলা পর্যন্ত সু উচ্চ ভবন নির্মাণ করা হবে।
গুলশান সাউথতেই রয়েছে, চোখ ধাঁধানো লাক্সারি সব গাড়ির শোরুম যেখানে সাজানো রয়েছে ROOLS ROYCE , BMW, RANS ROVER, এবং AUDI মত নিত্য নতুন সব মডেলের গাড়িগুলো, যা প্রমাণ করে দেয় যে, গুলশান সাউথ এরিয়া বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে দামি এরিয়া হতে চলেছে।
সুতরাং “গুলশান সাউথ ক্লাব ” নিঃসন্দেহে হতে চলছে বাংলাদেশের একটি শ্রেষ্ঠ ক্লাব।
এবং আমরা বিশ্বাস করি ২০৩০ সালের দিকে “গুলশান সাউথ ক্লাবের মেম্বারগন একসময় গর্ব করে বলবেন, ভাগ্যিস গুলশান সাউথ ক্লাবের মেম্বারশিপ নিয়েছিলাম। না হলে তো এখন আর নেওয়া সম্ভব হত না।
-মোহাম্মদ খুরশিদ আলম