নরসিংদী ২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের অভিযোগে এবার প্রকাশ্যে এসেছে জোট রাজনীতির ভেতরের দ্বন্দ্ব। সংসদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর বিরুদ্ধে গাদ্দারির অভিযোগ তুলে ফেসবুকে একাধিক পোস্ট দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া পোস্টে সারোয়ার তুষার লিখেছেন নরসিংদী ২ আসনে জামায়াত প্রার্থী জোটের বিরুদ্ধে গাদ্দারি না করলে এবং জামায়াতের তৃণমূল জোটের পক্ষে অবিভক্তভাবে পূর্ণ সহযোগিতা করলে ১১ দলীয় জোট অন্তত ১০ থেকে ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় পেত।
ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলি প্রতীকের প্রাপ্ত ভোটের হিসাব তুলে ধরে তিনি বলেন পলাশ এলাকায় জোটের কার্যক্রম না থাকায় অনেক ভোটার ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন। পাশাপাশি দিনভর কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিএনপির নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের নিষ্ক্রিয়তা ভোটের মাঠকে প্রভাবিত করেছে।
জামায়াত প্রার্থীর গাদ্দারি বাংলাদেশ মনে রাখবে উল্লেখ করে সারোয়ার তুষার আরও লেখেন ইলেকশনটা আমাকে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার বিরুদ্ধে একযোগে করতে হয়েছে। ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা না থাকলে এই আসনের নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশকে বিস্মিত ও উদ্বেলিত করতো।
পরে আরেক পোস্টে তিনি জানান জোটসঙ্গী হিসেবে জামায়াতকে তিনি তুলনামূলক বেশি বিশ্বস্ত মনে করেছিলেন। তাদের কথা ও কাজে মিল থাকবে এমনটাই ছিল তাঁর ধারণা। যদিও মতাদর্শিক ও ঐতিহাসিক আপত্তির বিষয়ে তিনি অসচেতন ছিলেন না।
তিনি আরও লেখেন কেন জামায়াতে ইসলামী তাদের একজন জেলার নেতাকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারল না তার উত্তর তিনি জানেন না। যেখানে বিএনপি হেভিওয়েট রুমিন ফারহানাকে বহিষ্কার করেছে সেখানে জামায়াত নিজেদের সামান্য নেতাকেও সামলাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
-সাইমুন










