পরিকল্পিতভাবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে বলে মনে করছেন প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ।
শুক্রবার প্রথম আলোর কর্মীদের মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন কর্মসূচি ডাকা হয়।
ঢাকার কারওয়ানবাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে বিকাল ৪টায় এ মানববন্ধন শুরু হয়। তবে হট্টগোলের কারণে কয়েক মিনিটের মাথায় কর্মসূচি শেষ হয়ে যায়।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর খবর আসার পর বৃহস্পতিবার রাতে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা হয়।
আগের রাতের সেই হামলার কথা তুলে ধরে মানববন্ধনে প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ বলেন, “পরিকল্পিতভাবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই সংগঠিত আক্রমণটি চালিয়েছে। আমাদের সাংবাদিকেরা জীবনের ঝুঁকিতে ছিলেন; প্রচণ্ড নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ছিলেন। তারা বাধ্য হয়ে পত্রিকা প্রকাশ না করে সাংবাদিকতার কাজ অসমাপ্ত রেখে চলে যান।
“প্রতিষ্ঠার পর গত ২৭ বছরে এই প্রথম আজ প্রথম আলো প্রকাশ হয়নি। আমাদের অনলাইনও বন্ধ আছে গতকাল রাত থেকে।”
তিনি বলেন, “আমাদের বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে যে, আগামী নির্বাচনকে পথভ্রষ্ট করার জন্য, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও সরকারের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।”
বাংলাদেশের আইনের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক বলেন, “আমরা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাই এবং দাবি জানাই যে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। যারা দোষী, তাদের খুঁজে বের করা হোক।”
নাগরিক সমাজকে প্রথম আলোর সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “শুধু প্রথম আলো নয়, ডেইলি স্টারের ওপরও আক্রমণ হয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এটি একটি কালো দিন সংবাদমাধ্যমের জন্য; বাকস্বাধীনতার জন্য; গণতন্ত্রের জন্য।
“আমরা বলতে চাই, এটি বাংলাদেশের বাকস্বাধীনতা, ভিন্নমতের প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর কঠিন আক্রমণ করা হয়েছে।”
মানবন্ধনে সম্পাদক মতিউর রহমান ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হকসহ প্রথম আলোর শতাধিক কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মামুন










