২২-২৩ বছর বিদেশে ছিলাম ৫৭ বছর বয়সে প্রথম ভোট দিলাম

“আমি ২২-২৩ বছর বিদেশে ছিলাম, একবারও ভোট দিতে পারিনি। ৫৭ বছর বয়সে এবার জীবনের প্রথম ভোট দিলাম। এবার নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ভালো। এখানে যারা দায়িত্বে আছেন তারা খুব সুন্দর করে আমাদের সহযোগিতা করছেন।”

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম-৯ আসনের আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে এসব কথা বলেন প্রবাসী রবিউল হোসেন চৌধুরী। তিনি চট্টগ্রাম-৯ আসনের জামাল খান ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

রবিউল হোসেন বলেন, নির্বাচনে যেসব রাজনৈতিক দল প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেগুলো যেন বাস্তবায়ন করা হয়। “অনেকে বিভিন্ন কার্ড, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি বিষয়গুলোর কথা বলেছেন। এগুলো বাস্তবায়ন হলে মানুষের অনেক উপকার হবে,” যোগ করেন তিনি।

একই আসনের আরেক ভোটার জুরু (৩২), পেশায় ফার্নিচার ব্যবসায়ী, ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে বলেন, “বিগত ১৭ বছর পর আজ দ্বিতীয়বারের মতো ভোট দিলাম। এর আগে যতবারই ভোট দিতে এসেছি, ততবারই ফেরত যেতে হয়েছে, ভোট দিতে পারিনি। ২০২৬ সালে এসে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছি, খুব ভালো লাগছে।”

নির্বাচনের পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, এখন পরিবর্তনের কারণে নির্বাচনের পরিবেশ অনেক ভালো। আমরা প্রত্যাশা করি এটা বজায় থাকবে।”

কোতোয়ালি, চান্দগাঁও ও ডবলমুরিং এলাকা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৯ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৬ হাজার ৩৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৩ হাজার ৯০৬ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২ হাজার ৪৪৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯ জন।

এই আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডা. এ কে এম ফজলুল হক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের আবদুল মোমেন চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস শুক্কুর, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মোরাদ, নাগরিক ঐক্যের মো. নূরল আবছার মজুমদার, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মো. শফি উদ্দিন কবির, জনতার দলের মো. হায়দার আলী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ নউম উদ্দিন এবং গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ।

-এমইউএম