ভোটের দিন শুধু একটি নাগরিক দায়িত্ব পালনের দিনই নয়, অনেকের জন্য এটি একটি বিশেষ অনুভূতির দিনও। তাই সেদিন নিজের লুকটাও একটু পরিপাটি ও সুন্দর রাখতে ইচ্ছা করাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে মেয়েরা অনেক সময় ভাবেন—কোন রঙের নেলপলিশ দিলে আঙুলটি সুন্দর দেখাবে এবং ভোটের কালি দেওয়ার পরও হাতটা আকর্ষণীয় লাগবে? চলুন কিছু উপযুক্ত রঙের ধারণা দেওয়া যাক।
হালকা গোলাপি রঙের নেলপলিশ ভোটের দিনের জন্য খুবই মানানসই। এই ধরনের রঙ আঙুলকে স্বাভাবিক ও পরিপাটি দেখায়। ভোটের কালি সাধারণত গাঢ় বেগুনি বা নীলচে হয়, তাই হালকা শেডের নেলপলিশের সঙ্গে সেই কালি বেশ সুন্দর কনট্রাস্ট তৈরি করে। এতে আঙুল আরও পরিষ্কার ও নরম দেখায়।
প্যাস্টেল শেড যেমন বেবি পিঙ্ক, ল্যাভেন্ডার, মিন্ট গ্রিন বা পীচ রঙও ভালো পছন্দ হতে পারে। এসব রঙ খুব বেশি চোখে লাগে না, কিন্তু হাতে এক ধরনের সতেজতা এনে দেয়। বিশেষ করে দিনের বেলায় ভোট দিতে গেলে প্রাকৃতিক আলোয় এই রঙগুলো খুব সুন্দর দেখায়।
যদি একটু গাঢ় ও সাহসী লুক পছন্দ করেন, তাহলে ডিপ রেড বা মেরুন ব্যবহার করতে পারেন। লাল রঙ সবসময়ই ক্লাসিক এবং এলিগ্যান্ট। গাঢ় লাল নেলপলিশের সঙ্গে ভোটের কালি মিলেমিশে এক ধরনের শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি তৈরি করতে পারে। তবে খেয়াল রাখবেন, রঙ যেন খুব বেশি গাঢ় না হয় যাতে কালি আলাদা করে বোঝা যায়।
বিকল্প হলো ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর স্টাইল। এতে নখের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। উপরে সাদা টিপ আর বেসে হালকা গোলাপি বা স্বচ্ছ রঙ দিলে হাত খুবই পরিপাটি ও মার্জিত দেখায়। ভোটের কালি তখন আঙুলে বিশেষভাবে দৃশ্যমান হয় এবং সেটিই হয়ে ওঠে দিনের প্রধান আকর্ষণ।
নেলপলিশের রঙ যাই হোক না কেন, নখ পরিষ্কার ও সুন্দরভাবে কাটা থাকাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভোটের দিনটি গণতন্ত্রের উৎসবের দিন। তাই নিজের পছন্দের রঙ বেছে নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যান। সুন্দর হাত, সুন্দর মন আর দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ—এই তিনের সমন্বয়েই দিনটি হয়ে উঠুক
-বিথী রানী মণ্ডল










