ভোটের দিন মানেই শুধু দায়িত্ব পালন নয়, অনেকের জন্য এটি এক ধরনের উৎসবের দিনও। সকালবেলা ভোট দিয়ে বের হওয়ার পর বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সঙ্গে একটু ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকতেই পারে। তখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন খাবো কী? কারণ সারাদিনের এনার্জি ধরে রাখতে ভালো খাবার খুবই জরুরি।
সকালে যদি খুব ভোরে ভোট দিতে যান, তাহলে হালকা কিন্তু পুষ্টিকর নাশতা দিয়ে দিন শুরু করা ভালো। যেমন পরোটা-সবজি, ডিম-টোস্ট বা খিচুড়ি খেতে পারেন। সঙ্গে এক কাপ চা বা কফি থাকলে তো কথাই নেই। এতে শরীর সতেজ থাকবে এবং লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও ক্লান্ত লাগবে না।
ভোট দেওয়ার পর যদি বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যান, তাহলে হালকা স্ট্রিট ফুড বেশ জমে যেতে পারে। ফুচকা, চটপটি, ঝালমুড়ি বা ভেলপুরি এসব খাবার আড্ডার সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে খাবার যেন পরিষ্কার জায়গা থেকে কেনা হয়। কারণ আনন্দের দিনে পেট খারাপ হলে সব মজাই মাটি।
যদি একটু ভারী কিছু খেতে চান, তাহলে বিরিয়ানি, কাচ্চি বা পোলাও-মাংস হতে পারে ভালো পছন্দ। অনেকেই ভোটের দিনকে ছোটখাটো সেলিব্রেশনের মতো মনে করেন, তাই পছন্দের রেস্টুরেন্টে গিয়ে জমিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আবার হালকা ও স্বাস্থ্যকর কিছু চাইলে গ্রিল চিকেন, স্যান্ডউইচ বা সালাদও ভালো অপশন।
গরমের দিনে ঠান্ডা পানীয় বা লাচ্ছি, শরবত খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। আর শীতের দিনে গরম চা বা কফির সঙ্গে সিঙ্গারা-সমুচা দারুণ লাগে। মূল কথা হলো, এমন কিছু খেতে হবে যা আপনাকে আনন্দ দেবে এবং সারাদিন চাঙ্গা রাখবে।
ভোট দেওয়া নাগরিক দায়িত্ব, আর তার পরের সময়টা নিজের মতো করে উপভোগ করা একদম স্বাভাবিক। তাই ভোট সেরে প্রিয় মানুষদের সঙ্গে একটু ঘুরে আসুন, মজার কিছু খান আর দিনটাকে করে তুলুন স্মরণীয়। দায়িত্ব আর আনন্দ দুটোই থাকুক একসঙ্গে।
-বিথী রানী মণ্ডল










