শুভ জন্মদিন মিমি-নুসরতের বার্তা

বিশ্বাস করুন, আমাদের বন্ধুত্ব এতটাও ‘শীতল’ নয়। হ্যাঁ, মাথাগরম হলে মিমি মুখের উপরে হয়তো বলবে, নুসরতকে নিয়ে কিচ্ছু বলব না। ওর সঙ্গে আমার ঝগড়া। তার পরেও দিনের শেষে দেখা হয়ে গেলে হাসি চাপতে চাপতে জড়িয়ে ধরবে।

এই যেমন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঘটল। পদ্মশ্রী পাওয়ার আনন্দে বুম্বাদার বাড়িতে আমরা সবাই। মিমি এসেই আমায় দেখে এগিয়ে এল। উপস্থিত ছবিশিকারিরা কিন্তু আমাদের আলিঙ্গনে উষ্ণতা খুঁজে পেয়েছেন।

আমাদের কত স্মৃতি। বন্ধুত্বের গোড়ার কথা আবছা। সম্ভবত ‘যোদ্ধা’ ছবির শুটিং। আমরা তখন এসভিএফ প্রযোজনা সংস্থায় কাজ করি। ছবিতে আমার একটি ‘আইটেম’ নাচ ছিল। প্রথম দেখা প্রযোজনা সংস্থার অফিসে। ছবিতে আমরা বন্ধু। আমরা একসঙ্গে নাচের মহড়া দিতাম। মহড়ার পর আমি মিমির ঘরে, নয়তো মিমি আমার। বন্ধুত্বের সেই শুরু। তখন আমাদের কম করে দিন পনেরোর আউটডোর শুটিং থাকত। ওই ১৫ দিন আমরা পরস্পরের ছায়া।

দুই বন্ধু মিলে কত বেড়াতে গিয়েছি! লাস ভেগাস কিংবা লস অ্যাঞ্জেলেস। প্রচুর ভাল স্মৃতি। কত দুষ্টুমিও করেছি। মিমি বরাবরের ‘ডেয়ার ডেভিল’। ‘বনগাঁকাণ্ড’ তো হালের। ওর চোখে কোনও কিছু অন্যায় মানেই তার প্রতিবাদ করবে। এখনকার মিমি তো অনেক পরিণত। আমি ‘বাচ্চা’ মিমিকেও দেখেছি। সেই ছেলেমানুষ মিমির রাগ হলেই ঝগ়়ড়া করে নেয়। আমাদের মধ্যে কম ঝগড়া হয়েছে? টিমের সামনে প্রচণ্ড ঝগড়া করেছি। রাতে ফাটাফাটি রাগ। পরের দিন সকালে মিমির ভাল ছবি কেউ তুলে দিতে পারছে না। আমি গিয়ে তুলে দিতেই ভাব।

-বিথী রানী মণ্ডল