টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট নিয়ে অনড় অবস্থানে ছিল পাকিস্তান। তবে বরফ গলাতে এবার আসরে নামল সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ২০০৯ সালে লাহোরে সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তান যখন ক্রিকেট বিশ্বে একঘরে হয়ে পড়েছিল, তখন আরব আমিরাত তাদের ‘হোম ভেন্যু’ হিসেবে আশ্রয় দিয়েছিল। সেই সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে পিসিবিকে সিদ্ধান্ত বদলানোর অনুরোধ জানিয়েছে ইসিবি।
ভারতীয় গণমাধ্যম ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসিবি এক ইমেইলে পিসিবিকে ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে।
ইসিবির ইমেইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক সূত্র জানায়, এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ড পিসিবিকে তাদের দুঃসময়ের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। যখন কেউ পাকিস্তানে খেলতে রাজি ছিল না, তখন আমিরাত তাদের ঘরের মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। সেই সম্পর্কের খাতিরেই পিসিবিকে নমনীয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্রটি আরও বলে, ‘আমরা আশাবাদী যে শেষ পর্যন্ত বিচক্ষণতাই জয়ী হবে এবং পাকিস্তান এ সপ্তাহের শেষ দিকে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেবে।’
ইমেইলে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের বিশাল আর্থিক গুরুত্বের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ সব স্টেকহোল্ডারের জন্যই রাজস্ব আনে। ম্যাচটি বাতিল হলে বড় অঙ্কের আয় হারাবে সবাই, যা কারও জন্যই কাম্য নয়।
এর আগে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডও (এসএলসি) পাকিস্তানকে একই অনুরোধ করেছিল। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ম্যাচটি হওয়ার কথা। ম্যাচটি না হলে লঙ্কানদের পর্যটন ও রাজস্ব আয়ের বড় সুযোগ হাতছাড়া হবে।
এদিকে সংকট নিরসনে রোববার লাহোরে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আইসিসি ও বন্ধুপ্রতীম বোর্ডগুলোর অনুরোধে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে রাজি হতে পারে।
-বেলাল হোসেন










