আদালত মানেই হলো, রাষ্ট্রের একটি অপরিহার্য অংশ, যা রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগ, বিচারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য গঠিত একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
আদালতের কাজ হলো আইন অনুযায়ী বিরোধ নিষ্পত্তি করা এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু দীর্ঘ বহু বছর যাবৎ এই আদালত প্রাঙ্গণেই দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয় বিভিন্ন মামলার জামিনে থাকা অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারী উভয়ের। দেশের সাধারণ জনগন,ভুক্তভোগী সহ অনেকের কথা ভেবেই বিচারিক কার্যক্রম সহজ থেকে সহজতর করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন বেশ কিছু মানবিক বিচারকগণ। এরই মধ্যে অন্যতম হলেন ফারজানা ইয়াসমিন। যিনি ঢাকার বিশেষ দায়রা জজ আদালত ও দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল চার (০৪) এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ)।
এ আদালতে অল্পদিনের যোগদান হলেও সাধারণ মানুষের কথা ভেবে দ্রুত বিচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন মানবিক এই বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন। এমনই উদাহরণস্বরূপ একটি হত্যা মামলার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন তিনি।
২০১১ সালের ৬ই ডিসেম্বর শেরেবাংলা নগর থানায় করা হত্যা মামলার পলাতক আসামী জুলকার নাইন মনিকে এজাহার, চার্জশিট, সাক্ষিদের জবানবন্দী ও জেরা, ময়না তদন্দ রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক, আসামী প্রদত্ত ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির আলোকে পেনাল কোডের ৩০২ ধারা মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হয়।
বিচারক ফারজানা ইয়াসমিনের এ আদেশে সন্তুষ্ট ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন চৌদ্দ বছরের ভুক্তভোগী বিবাদীর পরিবারসহ আত্মীয়স্বজন।
যদিও মৃত শামীম হাসানের হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী জুলকার নাইন মনি এখনও পলাতক রয়েছে, তাই বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি করেছেন।
-সাইমুন










