মাটন-মটরশুঁটির চাপ

খাবারের স্বাদকে এক ধাপ ওপরে তুলে দেয়। সোনালি রঙের খাস্তা চপের ভেতরে নরম মাটন কিমা আর মটরশুঁটির মোলায়েম মিশ্রণ মুখে দিলেই আলাদা একটা তৃপ্তি আসে। বাইরে থেকে কড়কড়ে, ভেতরে রসাল—এই বৈপরীত্যই চপের আসল আকর্ষণ। টমেটো সসের হালকা টক-মিষ্টি স্বাদ চপের ঝাল আর মসলাদার স্বাদের সঙ্গে দারুণ ভারসাম্য তৈরি করে। আবার যারা ঝাঁঝালো স্বাদ পছন্দ করেন, তাদের জন্য কাসুন্দি হতে পারে সেরা সঙ্গী। বিকেলের নাশতায় এক কাপ গরম চা বা কফির সঙ্গে এই মাটন মটরশুঁটি চপ জমে ওঠে একেবারে পারফেক্ট কম্বিনেশন।

উপকরণ-

১।১ কাপ মাটন কিমা সিদ্ধ
২।১ কাপ মটরশুঁটি সিদ্ধ
৩।১/৩ চা চামচ আদা বাটা
৪।১/৩ চা চামচ পেঁয়াজ বাটা
৫।১/৩ চা চামচ রসুন বাটা
৬।পরিমাণ মতো ধনিয়া গুড়া
৭। পরিমাণ মতো শুকনা মরিচের গুড়া
৮।পরিমাণ মতো হলুদের গুড়া
৯।সিদ্ধ আলু করে মিহি করে রাখা ১ কাপ
১০।ধনিয়া পাতা পরিমাণ মতো
১১।বেসন পরিমাণ মতো
১২। সয়াবিন তেল পরিমাণ মতো
১৩। কিসমিস
১৪। ডিম
১৫। লবণ পরিমাণ মতো

প্রণালি-

১।প্রথমে একটি বড় বাটিতে সিদ্ধ মাটন কিমা, সিদ্ধ মটরশুঁটি এবং সিদ্ধ করে মিহি করা আলু একসঙ্গে নাও। এবার এর মধ্যে আদা বাটা, পেঁয়াজ বাটা ও রসুন বাটা যোগ করো। এরপর স্বাদমতো লবণ, হলুদ গুঁড়া, শুকনা মরিচের গুঁড়া ও ধনিয়া গুঁড়া দিয়ে সব উপকরণ খুব ভালোভাবে হাত দিয়ে মেখে নিতে হবে, যেন একদম মিশে যায়।

মাখানো মিশ্রণে এবার কুচি করা ধনিয়া পাতা ও কয়েকটি কিসমিস দিয়ে আবারও ভালোভাবে মেশাও। যদি মিশ্রণটা বেশি নরম মনে হয়, তাহলে অল্প অল্প করে বেসন যোগ করো, যাতে চপের শেপ দিতে সুবিধা হয়। সব মাখা শেষ হলে মিশ্রণ থেকে লেবুর আকারে নিয়ে চাপ দিয়ে চপের মতো করে তৈরি করে রাখো।

এবার একটি বাটিতে ডিম ভেঙে ভালো করে ফেটে নাও। চপগুলো আগে ডিমে ডুবিয়ে নিয়ে তারপর অল্প বেসন ছিটিয়ে নিলে বাইরের আবরণ সুন্দর হবে। চুলায় একটি কড়াইয়ে পরিমাণমতো সয়াবিন তেল গরম করো। তেল মাঝারি গরম হলে চপগুলো ছেড়ে দাও।

চপগুলো মাঝারি আঁচে উল্টে-পাল্টে ভেজে নাও, যতক্ষণ না দুই পাশই সুন্দর সোনালি রঙ ধারণ করে। ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টিস্যুতে তুলে অতিরিক্ত তেল ঝরিয়ে নাও।

-বিথী রানী মণ্ডল