চট্টগ্রাম বন্দর অস্থিতিশীল করতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা: কর্তৃপক্ষ

চট্টগ্রাম বন্দরে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা দেওয়া হয়।

বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে অপারেটর হিসেবে নিয়োগের প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল বন্দর শাখা ও সাবেক সিবিএ শনিবার ও রবিবার ধর্মঘটের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই প্রেক্ষাপটেই বন্দর কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিটি জারি করে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, সম্প্রতি কতিপয় স্বার্থান্বেষী দল, গোষ্ঠী ও ব্যক্তি দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত ও বন্দরকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এনসিটি সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত ও মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়ে তারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশ, মিছিল, কর্মবিরতি ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড ঘটছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বন্দরের ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরকে সার্বক্ষণিক সচল ও কার্যকর রাখা অত্যাবশ্যক।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সব ধরনের বেআইনি ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন ২০০২, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা ১৯৭৯, চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা ১৯৯১সহ প্রযোজ্য সব আইন ও বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

-সাইমুন