বিশেষ বৃত্তির দাবিতে সোমবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিলে উপাচার্যসহ অন্তত ৩০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা রাতভর নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
বিশেষ বৃত্তির দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে স্থবির হয়ে পড়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রম। গত রবিবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমীন ও প্রক্টরসহ অন্তত ৩০ জন কর্মকর্তা ভবনের ভেতরে আটকা পড়েন। শিক্ষার্থীরা ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় তাঁরা কার্যালয়েই রাত কাটাতে বাধ্য হন।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, মেধা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে ২০তম ব্যাচকে বিশেষ বৃত্তির অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে তাঁরা এই কর্মসূচি পালন করছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা। এর আগে সকালে তাঁরা ক্যাম্পাসজুড়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং প্রশাসনের ‘বৈষম্যমূলক’ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রবিবার বিকেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন। তিনি জানান, বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী ২০তম ব্যাচকে যুক্ত করলে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি থেকে বঞ্চিত হতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে কমিটির সবার সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান।
এদিকে দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকার বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা প্রায় ২৫-৩০ জন মানুষ এখানে আটকে আছি। সব কিছুরই একটা সীমা থাকা প্রয়োজন।” পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষক ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
মালিহা










