গাজরের জুস স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি পানীয়। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে গাজরের জুস পান করলে শরীরের নানা উপকার হয়। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ, বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন সি, কে, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখে।
গাজরের জুস চোখের স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। এতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীরে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং চোখের শুষ্কতা কমায়। পাশাপাশি ত্বকের জন্যও এটি দারুণ কার্যকর। নিয়মিত গাজরের জুস পান করলে ত্বক উজ্জ্বল হয়, ব্রণ ও দাগ কমতে সাহায্য করে এবং বয়সের ছাপ দেরিতে পড়ে।
এই জুস হজমশক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। এতে থাকা আঁশ ও প্রাকৃতিক এনজাইম পাচনতন্ত্রকে সক্রিয় রাখে। এছাড়া গাজরের জুস শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয় এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।
ওজন নিয়ন্ত্রণেও গাজরের জুস বেশ কার্যকর। এতে ক্যালোরি কম হলেও পুষ্টিগুণ বেশি, ফলে ডায়েটের সময় এটি ভালো বিকল্প হতে পারে। হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও গাজরের জুস উপকারী। পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তনালির কার্যকারিতা উন্নত করে।
তবে অতিরিক্ত গাজরের জুস পান করা ঠিক নয়। দিনে এক গ্লাস (২০০–২৫০ মিলি) গাজরের জুস যথেষ্ট। অতিরিক্ত পান করলে ত্বক হলদেটে হয়ে যেতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত গাজরের জুস পান করাই সবচেয়ে ভালো।
-বিথী রানী মণ্ডল










