শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারর্স ইন্সটিটিউশনে আয়োজিত এক সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,তারেক রহমানের নতুন রাজনীতি,আধুনিক রাজনীতি যা বাংলাদেশের রাজনীতিকে পাল্টে দেবে তা গ্রহণ করবার জন্য সাধারণ মানুষ উন্মুখ হয়ে আছে।
অপরদিকে একটা দল ধর্মের নামে রাজনীতি করে মানুষ কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।আমাদের কথা খুব পরিষ্কার।আমরা ধর্মে বিশ্বাস করি। আমাদের নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট রহমান কুরআন শরীফের কথা বলেছেন,সংবিধানের বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম সংযোজন করেছেন,আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসের কথা উল্লেখ করেছেন এবং আমরা সব সময় ই এদেশে সেভাবে কাজ করেছি।বক্তব্য বাড়াবো না।আমি হিসাব করছিলাম আর মাত্র ২২ দিন বাকি নির্বাচনের।এই সময় এসে এখন অনেকে বলছেন নির্বাচন হবে কি না!বাধা দিবো,করতে দিব না,ভেতরে ভেতরে খবর নিয়ে দেখেন তাদের তিনটা ভোট ও নাই।
তারপরেও বড় গলায় বলে নির্বাচন হতে দেব না।আমি বলি, নির্বাচন হোক,তারপর দেখা যাবে কে কতটা ভোট পায়। আর সেজন্যই আমরা ভোটের জন্য উম্মুখ হয়ে আছি।আমরা নির্বাচন চাই,আমরা যাবো জনগণের কাছে।জনগণ যদি আমাদের গ্রহণ করে তো করবে আর জনগণ যদি আমাদের বাদ দিয়ে দেয় তো দিবে।আমরা বিরোধী দলে থাকবো তাই না?আগে থেকে এত গলাবাজি কেন ভাই!
এ সময় তিনি বলেন,আমি আজ এটা বলেই শেষ করব আমাদের আগামী নির্বাচনের পরীক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে বড় কঠিন পরীক্ষা।
এ নির্বাচনে নির্ধারণ হবে এই রাষ্ট্র কি লিবারেল ডেমোক্র্যাটদের হাতে থাকবে নাকি উগ্রবাদী,রাষ্ট্র বিরোধী,স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে থাকবে।আমাদেরকে অবশ্যই উদারপন্থীতার রাস্তা বেছে নিতে হবে,গণতন্ত্রের রাস্তা বেছে নিতে হবে। মানুষের কল্যাণের রাস্তা বেছে নিতে হবে।
এসময় তিনি আরো বলেন,আমাদেরকে অবশ্যই ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে।তারেক রহমান যে ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ড মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চান,তা পৌছাতে হলে আমাদের জনগণকে সাথে নিয়ে জয়ী হয়ে আসতে হবে।জনগণকে সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে তবেই আমাদের বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে তা পূরণ হবে।ধানের শীষ কে যদি আমরা জয়যুক্ত করি তাহলে ই জিয়াউর রহমানের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানানো হবে।আমাদের গণতন্ত্রের মাতা খালেদা জিয়ার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানানো হবে।
-মেহেরীন খান//










