রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে এবার কোপা দেল রেতেও সাফল্য পেল বার্সেলোনা। ফেরান তোরেস ও লামিনে ইয়ামালের গোলের সুবাদে রেসিং সান্তান্দেরকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে কোপা দেল রের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এই জয়ের মাধ্যমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচ জয়ের কীর্তি গড়ল হ্যান্সি ফ্লিকের দল।
এর আগে ক্লাবের ইতিহাসে চারবার টানা ১১ ম্যাচ জিতেছিল বার্সেলোনা। ২০১৪–১৫ মৌসুমে লুইস এনরিকের অধীনে, ২০০৮–০৯ মৌসুমে পেপ গার্দিওলার সময়ে, ১৯৫৫–৫৬ মৌসুমে ফ্রানৎস প্লাটকোর কোচিংয়ে এবং ১৯২৫ থেকে ১৯২৭ সালের মধ্যে রালফ কিরবি, রিচার্ড ডম্বি ও রোমা ফর্নসের তত্ত্বাবধানে এই রেকর্ড গড়ে দলটি।
এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো ফ্লিকের বার্সাও। সামনে আরও ম্যাচ থাকায় এই জয়ের ধারাকে বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে কাতালান ক্লাবটির। তবে ক্লাব ইতিহাসে টানা জয়ের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছুঁতে হলে আরও সাতটি ম্যাচ জিততে হবে তাদের। ২০০৫–০৬ মৌসুমে ফ্রাংক রাইকার্ডের কোচিংয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১৮ ম্যাচ জিতেছিল বার্সেলোনা।
রেসিং সান্তান্দেরের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি বার্সা। একপর্যায়ে অঘটনের আশঙ্কাও দেখা দেয়। তবে ৬৬ মিনিটে ফেরমিন লোপেজের পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন ফেরান তোরেস।
গোল হজমের পর আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে রেসিং। মানেক্স লোসানো দুটি গোল করলেও দুটিই অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর যোগ করা সময়ে রাফিনিয়ার সহায়তায় দ্বিতীয় গোলটি করেন লামিনে ইয়ামাল। এই দুই গোলেই নিশ্চিত হয় বার্সেলোনার কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট।
ম্যাচ শেষে মুভিস্টারকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ফেরান তোরেস বলেন, ‘আমরা ভাবিনি তারা আমাদের এতটা চ্যালেঞ্জে ফেলবে। জানতাম, ধৈর্য ধরে লড়তে হবে। শেষ পর্যন্ত সেটাই কাজে দিয়েছে।’ নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আরও গোল করব। দলের ও কোচের জন্য অবদান রাখাই আমার লক্ষ্য। এই মৌসুমটা আমার জন্য আলাদা হবে—আমি বার্সেলোনার স্ট্রাইকার হিসেবে প্রস্তুত।’
-আফরিনা সুলতানা/










