বাজারে শীতকালীন সবজি ও দেশি মাছের সরবরাহ বাড়ায় ডিমের চাহিদা কমেছে। ফলে এক ডজন ডিমের দাম ১০ টাকা কমে বর্তমানে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের দাম কমলেও মুরগির বাজারে তেমন পরিবর্তন হয়নি। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, ফুলকপি ও লাউয়ের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। কয়েক সপ্তাহ আগে ঘন কুয়াশার কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এসব সবজির দাম বেড়েছিল। বর্তমানে প্রতিটি ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লাউ ৮০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে নতুন আমন চাল বাজারে আসতে শুরু করায় নতুন চালের দাম কিছুটা কমেছে। তবে পুরোনো চালের দাম এখনো বেশি রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ডিম ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, শীত মৌসুমে শাকসবজি, দেশি মাছ ও হাঁসের ডিমের জোগান বাড়ে। এতে মুরগির ডিমের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়। বর্তমানে পাইকারিতে প্রতিটি ডিম ৭ টাকা ৯০ পয়সার নিচে বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম আরও কমলে খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। খুচরা বিক্রেতারাও জানান, দাম কমলেও ডিমের বিক্রি আগের তুলনায় কম। কারণ ভোক্তারা এখন বিকল্প খাবারের দিকে ঝুঁকছেন।
চালের বাজারে নতুন মোটা চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও একই মানের পুরোনো চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজিতে। পুরোনো চালের ভাত ঝরঝরে ও রান্নার পর পরিমাণ বেশি হওয়ায় এর চাহিদা বেশি বলে জানান বিক্রেতারা।
বাজারে বেশির ভাগ শীতকালীন সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে, যা ভোক্তাদের জন্য স্বস্তির। তবে ফুলকপি, লাউ ও মুলার দাম তুলনামূলক বেশি রয়েছে। মুলা বর্তমানে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
নতুন মৌসুমের মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে আসায় পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এখন মুড়িকাটা পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকা এবং দেশি পুরোনো পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া বাজারে নতুন আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৬০ টাকা, শালগম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, টমেটো ৮০ থেকে ৯০ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। সয়াবিন তেলের দাম অপরিবর্তিত থেকে প্রতি লিটার ১৯৫ টাকায় রয়েছে।
–আফরিনা সুলতানা










