২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রফতানি লক্ষ্য রাখছে সরকার: বাণিজ্য উপদেষ্টা

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আহমেদ।(সংগৃহীত ছবি)

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আহমেদ বলেছেন, “আমাদের পলিসি সাপোর্ট এবং উদ্যোক্তাদের পরিশ্রম দুটোই প্রয়োজন। সরকার বাংলাদেশের রফতানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য কাজ করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রফতানি অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে আয়োজিত একটি সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা আরও বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২ দশমিক ৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এর জন্য চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক ও হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।”

প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ বিশ্বব্যাংক হোসনে ফেরদৌস সুমি, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও চেয়ারম্যান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট ড. এম এ রাজ্জাক, ড. এম মাসরুর রিয়াজ, আব্দুর রহিম খান প্রমুখ।

-আফরিনা সুলতানা/