বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন পরিকল্পিতভাবে বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিবিরসমর্থিত ‘বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ’ প্যানেলের প্রার্থীরা। নির্বাচনকে ঘিরে একের পর এক নাটক মঞ্চায়ন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
গত সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন প্যানেলের প্রার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, ব্রাকসু নির্বাচন শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি এবং এটি তাদের অধিকার আদায়ের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের বারবার পদত্যাগ, নতুন কমিশন গঠন এবং পুনরায় পদত্যাগের ঘটনাপ্রবাহ প্রমাণ করে যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে নাটক মঞ্চায়ন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, চারবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও প্রতিবারই ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকা বা প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাতে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। কমিশন বর্তমানে বলছে, স্বল্প সময়ে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। অথচ গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার দায় নির্বাচন কমিশন এড়াতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগকে ‘তথাকথিত অজুহাত’ উল্লেখ করে প্যানেলের প্রার্থীরা দাবি করেন, এটি নির্বাচন বানচালের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ারই অংশ।
সংবাদ সম্মেলন থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, ব্রাকসু নির্বাচন নিয়ে আর কোনো টালবাহানা বা নাটক শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন না হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে লাগাতার আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেন তারা।
এ সময় প্রার্থীরা কোনো ধরনের ‘যদি-কিন্তু’ ছাড়াই অবিলম্বে ব্রাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ভোট আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।
মালিহা










