টানা কয়েক সপ্তাহের অস্থিরতার পর শেয়ারবাজারে গত তিন সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল। এ সময়ে ছয় কার্যদিবসে সূচক কমলেও সাত দিনে বেড়েছিল এবং প্রধান সূচক ডিএসইএক্স মোট ১৬৭ পয়েন্ট উর্ধ্বমুখী হয়। তবে চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার সেই ধারায় ছেদ পড়ে। এদিন ডিএসইএক্স প্রায় ৫৯ পয়েন্ট কমে যায়।
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ৩৫৩টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৩২টির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে ২৯৭টি কোম্পানির দর কমেছে এবং ২৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও। লেনদেন হওয়া ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৪টির দর কমেছে, বেড়েছে মাত্র চারটির।
দরপতনের এই চিত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিলেও ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে বড় কোনো আশঙ্কা দেখছেন না বলে জানিয়েছেন। তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু শেয়ারের দর বেড়ে যাওয়ার পর বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলতে বিক্রি বাড়িয়েছেন, যার প্রভাব পড়েছে বাজারে।
রোববার সব খাতেই দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। এর মধ্যে ব্যাংক খাতের শেয়ারদর কমায় সূচকে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে— প্রায় ২৮ পয়েন্ট। শেয়ারদরের নিম্নমুখী প্রবণতার কারণে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১৭ কোটি টাকা কমে মোট লেনদেন দাঁড়িয়েছে ৪১২ কোটি টাকায়।
আফরিনা সুলতানা/










