টানা দুই হারের ধাক্কা রংপুর রাইডার্সের মনোবলে বড় প্রভাব ফেলেছে। তারই ছাপ পড়ে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে তাদের ব্যাটিংয়ে। স্বাগতিক বোলারদের চমৎকার নৈপুণ্যে রংপুর ৫ বল বাকি থাকতে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়।
সিলেটে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা রংপুরের শুরুটা দারুণ ব্যর্থ হয়। দুই ওভারের ৬ বলের মধ্যে ওপেনার কাইল মায়ার্স ও তাওহীদ হৃদয় আউট হন। নাসুম আহমেদের বলে ডাক মারেন মায়ার্স, ৪ রান করে শহীদুল ইসলামের শিকার হন হৃদয়।
লিটন দাস চারটি চার মেরে আক্রমণাত্মক শুরু করলেও শহীদুলের পরের ওভারে ১২ বলে ২২ রান করে ফেরেন। পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেটে ৩৫ রান করে রংপুর চাপের মধ্যে পড়ে।
১১তম ওভারে চতুর্থ উইকেট পড়লেও রান তেমন বাড়ে না। ১৭ রান করা ইফতিখার আহমেদ ৪০ রানের জুটি গড়ে ফিরে যান। এরপর শুরু হয় পুরো ব্যাটিংয়ের ধস। ১৬তম ওভারে নাসুম আহমেদের টানা দুই উইকেটের ফলে রংপুর ৯৬ রানে ৯ উইকেট হারায়।
শেষ পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে ১০০ রানের বেশি তুলে রংপুর কিছুটা লজ্জা এড়াতে সক্ষম হয়। শেষ ওভারের প্রথম বলে মাহমুদউল্লাহকে থামান সালমান ইর্শাদ। ২৩ বলের ইনিংসে তার ২৯ রানে চারটি চার ছিল। দলের সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন খুশদিল শাহ।
সিলেটের বোলারদের মধ্যে মঈন আলী ৪ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। নাসুম আহমেদ ও শহীদুল ইসলামের ব্যাটিং শিকার তিনটি করে উইকেট।
-এমইউএম










