৮ জানুয়ারি টলিউড অভিনেত্রী ও প্রাক্তন সাংসদ নুসরত জাহানের জন্মদিন। গ্ল্যামার জগতের তারকাদের জন্মদিন মানেই ভক্তদের বাড়তি আগ্রহ এবং জমকালো আয়োজন। তবে ২০২৬ সালের এই জন্মদিনটি নুসরত এবং তার সঙ্গী অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের জন্য যেন একটু আলাদা এবং বিশেষ হয়ে উঠেছে।
বোলপুরের এই ছোট সফর মূলত পরিবারের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর জন্য। তবে ঘনিষ্ঠ মহলের খবর অনুযায়ী, কলকাতায় ফিরে তিনি বন্ধুদের জন্য একটি বিশেষ গেট-টুগেদার বা পার্টি আয়োজন করতে পারেন। শহরের বন্ধুদের সঙ্গে কেক কেটে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া হবে।
জন্মদিনের উদ্যাপন শুরু হয়েছে মধ্যরাত থেকেই। নুসরত ও যশ দুজনেই খাদ্যরসিক হলেও ফিটনেস সচেতন। তবে বিশেষ দিনে ডায়েটকে একটু ভোলা যায়। জানা গেছে, জন্মদিনের প্রথম প্রহর শুরু হয়েছে একেবারে ঘরোয়া স্বাদের বাঙালিয়ানা মেনু দিয়ে—দেশি মুরগির ঝোল। এই রসনাতৃপ্তির মধ্য দিয়ে জন্মদিনের আনন্দ শুরু হয়েছে।
বিগত বছরের মতো দূরে ঘুরতে না গিয়ে এবার তাঁরা শহরের কাছেই শান্তির নীড় বোলপুরের একটি বিলাসবহুল রিসর্ট বেছে নিয়েছেন। বুধবার সকালেই নুসরত ও যশ সমাজমাধ্যমে নিজেদের কিছু ছবি পোস্ট করে এই সফরের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ঘনিষ্ঠ সূত্রের মতে, যশের নিখুঁত পরিকল্পনাতেই এই সারপ্রাইজ ট্রিপ আয়োজন করা হয়েছে।
দুপুরের মধ্যাহ্নভোজনও হবে রাজকীয়। মাংসের হরেক রকম বিশেষ পদ থাকছে। চকোলেট নুসরতের প্রিয় ফ্লেভার, তাই জন্মদিনের কেকও তিনি অত্যন্ত পছন্দের রূপে পাবেন। মজার বিষয় হলো কেকের নকশা এবং বিশেষ আয়োজনের ব্যাপারে নুসরতকে এখনও অন্ধকারে রেখেছেন যশ, যা জন্মদিনের আনন্দকে আরও বাড়িয়েছে।
এই ছোট সফরে কেবল নুসরত-যশ নয়, তাঁদের দুই ছেলে এবং প্রিয় পোষ্যও উপস্থিত। ছেলেদের পক্ষ থেকেও মায়ের জন্য কিছু বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আনন্দের মাঝেও কাজের চাপ পিছু ছাড়ছে না। জন্মদিনের দিন নুসরতের একটি পূর্বনির্ধারিত অনুষ্ঠানও রয়েছে। এছাড়া জানুয়ারি মাসজুড়ে তার একাধিক শো এবং শুটিং রয়েছে, তাই পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে তিনি সচেষ্ট।
সব মিলিয়ে, লাল মাটির শহর বোলপুরের শান্ত পরিবেশ এবং পরিবারের সঙ্গে কাটানো সময় নুসরত জাহানের জন্মদিনকে রঙিন ও স্মৃতিমুখর করে তুলেছে। ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত, ভালোবাসা এবং ছোট ছোট আনন্দের মিশ্রণে এই জন্মদিন সবমিলিয়ে তার জীবনের এক বিশেষ অধ্যায় হয়ে উঠেছে।
-বিথী রানী মণ্ডল










