দিনে কতবার, কতক্ষণ এবং কোন নিয়মে দাঁত ব্রাশ করা উচিত সেটা অনেকেই জানেন না। দাঁতকে সুস্থ রাখা কেবল চেহারাকে সুন্দর বা উজ্জ্বল করা না এর চাইতেও অনেক গুরুত্ব বহন করে এর যন্ত নেয়া। শক্ত দাঁত এবং সুস্থ মাড়ি হল খাবার সঠিকভাবে চিবানো, স্পষ্টভাবে কথা বলা এবং স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন সংক্রমণ থেকে মুক্ত রাখা।
দাঁতকে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখার জন্য নিয়মিত এবং দাঁত ব্রাশ করার সঠিক সময় ও নিয়মে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে। সকালে নাশতার আগে ব্রাশ করলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ও প্লাক জমা প্রতিরোধ করা যায়, আর রাতে ঘুমানোর আগে ব্রাশ করলে সারারাত ধরে মুখের ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে থাকে। নাশতার পরে ব্রাশ করতে চাইলে ৩০-৬০ মিনিট অপেক্ষা করা ভালো, বিশেষ করে যদি অ্যাসিডিক খাবার বা পানীয় (যেমন কফি, লেবু) খাওয়া হয়ে থাকে, কারণ এতে এনামেল নরম হয়ে যায়।
সকালের ব্রাশ:
• ঘুম থেকে উঠে প্রথমে ব্রাশ করা উচিত, কারণ রাতে লালা উৎপাদন কমে যাওয়ায় মুখ ব্যাকটেরিয়ার হটস্পট হয়ে যায়।
• ব্রাশ করলে সকালের দুর্গন্ধ ও ব্যাকটেরিয়া দূর হয়।
• নাশতার আগে ব্রাশ করলে তা দাঁতের এনামেলকে অ্যাসিড থেকে রক্ষা করে।
নাশতার পরে:
• যদি নাশতার পরে ব্রাশ করতে চান, তাহলে অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন, কারণ অ্যাসিডিক খাবার বা পানীয় এনামেলকে দুর্বল করে দেয়।
• অপেক্ষা করার সময় পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন।
রাতের ব্রাশ:
• এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়, কারণ সারাদিনের খাবার ও ব্যাকটেরিয়া রাতে জমে থাকে।
• ঘুমানোর আগে ব্রাশ করলে মাড়ির রোগ ও সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়।
মনে রাখবেন:
• দিনে দুবার ব্রাশ করা আবশ্যক, শুধু একবার যথেষ্ট নয়।
• ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন।
• প্রতিদিন ফ্লস করুন।










