শুধু কথার ফুলঝুরি নয়, মাঠেই নিজের কথা রাখছেন মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ। ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে জয়ের পর ছন্দ ধরে রাখার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার, চট্টগ্রামের বিপক্ষেও তা বাস্তবায়ন করলেন তিনি।
শেষ দিকে ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে রংপুরকে ৫ উইকেটের জয় এনে দেন ৩৯ বছর বয়সি মাহমুদ উল্লাহ। আগের দুই ম্যাচে ম্যাচসেরা হওয়া এই ব্যাটারের ফিনিশিংয়ে হ্যাটট্রিক জয় তুলে নেয় রংপুর।
এই জয়ে ৫ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে ৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে নুরুল হাসান সোহানের দল। সমান ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম।
শেষ দিকে ম্যাচ জমিয়ে তুলতে চেষ্টা করছিলেন চট্টগ্রামের বোলাররা। ২৪ বলে ৪১ রানের সমীকরণে চাপের মুহূর্তে সব হিসাব ভেঙে দেন মাহমুদ উল্লাহ ও খুশদিল শাহ। ১৭তম ওভারে আমের জামালের বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২০ রান নেন মাহমুদ উল্লাহ। পরের ওভারে শরীফুলের বলে ২ চার ও ১ ছক্কা মারেন খুশদিল শাহ। ওই ওভারে ১৬ রান আসে, যদিও ২২ রান করে আউট হন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার।
তাতে জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে দরকার ছিল মাত্র ৫ রান। ১৯তম ওভারে টানা তিন সিঙ্গেল ও এক ডাবলসেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রংপুর।
যদিও শেষের কাজটা মাহমুদ উল্লাহ–খুশদিল শাহ শেষ করেন, জয়ের ভিত গড়ে দেন ওপেনার কাইল মায়ার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ব্যাটার ২৩ বলে ৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৫ চার ও ৪ ছক্কা। এটি এবারের বিপিএলের দ্রুততম ফিফটি। ম্যাচসেরা হন মায়ার্স।
ডেভিড মালানও ৩০ রান করে জয়ে অবদান রাখেন। চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম ৫ উইকেটে তোলে ১৬৯ রান। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা অ্যাডাম রসিংটন টানা তৃতীয় ফিফটি করেন, খেলেন ৫৮ রানের ইনিংস। বিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ৪৬ রান করেন পাকিস্তানি ব্যাটার হাসান নওয়াজ।
রংপুরের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান ও আকিফ জাভেদ।
– এমইউএম/










