এক চরম বিশৃঙ্খল ও নাটকীয় সপ্তাহের ইতি টানল চেলসি। এনজো ফার্নান্দেজের ইনজুরি সময়ের গোলে শিরোপাপ্রত্যাশী ম্যানচেস্টার সিটির মাঠ থেকে মূল্যবান ১ পয়েন্ট ছিনিয়ে এনেছে ব্লুজরা।
গত বৃহস্পতিবার এনজো মারেস্কা বিদায় নেওয়ার পর চেলসির অনূর্ধ্ব-২১ দলের কোচ ক্যালাম ম্যাকফারলেন অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে মূল দলের দায়িত্ব নেন। তার অধীনে চেলসি দীর্ঘ সময় সিটিকে হতাশায় ডুবিয়ে রাখে। ম্যাচে পিছিয়ে পড়ার পরেও আর্জেন্টাইন তারকা ফার্নান্দেজ জটলার মধ্যে টানা তিনবারের প্রচেষ্টায় বল জালে জড়িয়ে দলের ড্র নিশ্চিত করেন।
প্রথমার্ধে তিজানি রেইন্ডার্সের গোলে সিটির জয় অনেকটা নিশ্চিত মনে হচ্ছিল। কিন্তু এই নিয়ে টানা দুই ম্যাচ ড্র করায় লিগ লিডার আর্সেনালের চেয়ে এখন ৬ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়ল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।
শুরু থেকেই ‘লো ব্লক’ বা রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকে চেলসি। ৩৭ মিনিটে আর্লিং হাল্যান্ডের একটি ডিফ্লেকটেড শট চেলসি গোলরক্ষক ফিলিপ জর্গেনসেন দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন। এর এক মিনিট পরেই হাল্যান্ডের আরেকটি শট পোস্টে আঘাত হানে।
বিরতির ঠিক আগে গোলের দেখা পায় সিটি। পেনাল্টি বক্সের কাছে আলগা বল পেয়ে বেনোয়া বাদিয়াশিলকে কাটিয়ে দুর্দান্ত শটে সিটিকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন তিজানি রেইন্ডার্স।
দ্বিতীয়ার্ধে চেলসি আক্রমণের ধার বাড়ায়। পেদ্রো নেতো সহজ সুযোগ মিস করেন এবং সিটির সাবেক খেলোয়াড় ও বর্তমানে চেলসির বদলি ফরোয়ার্ড লিয়াম ডিলাপের একটি শট জিয়ানলুইগি দোন্নারুম্মার বুকে গিয়ে লাগে। অবশেষে শেষ মুহূর্তে ফার্নান্দেজের গোল সফরকারী দর্শকদের উল্লাসে ভাসায়।
আর্সেনালকে ধরার মিশনে থাকা ম্যানচেস্টার সিটি গত বৃহস্পতিবার সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করেছিল। এবার ঘরের মাঠেও জয়বঞ্চিত হলো তারা। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে টানা আট ম্যাচ জয়ের পর এই ড্র গার্দিওলার জন্য বড় ধাক্কা। এদিকে গোলমেশিন আর্লিং হাল্যান্ড নিজের মানদণ্ড অনুযায়ী খারাপ সময় পার করছেন। এই নিয়ে টানা তিন ম্যাচে গোলহীন রইলেন তিনি। তবে ম্যাচের ইতিবাচক দিক ছিল তিন মাস পর ব্যালন ডি’অর জয়ী রদ্রিগোর একাদশে ফেরা, যিনি মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে দুর্দান্ত ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু ডিফেন্ডার জসকো গার্দিওলের ইনজুরি সিটির চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।










