সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন মাহমুদউল্লাহ, রিয়াদের ঝড়ে রংপুরের অনায়াস জয়

এক ম্যাচ আগেই সুপার ওভারে লক্ষ্য পূরণ করতে না পারায় ধেয়ে এসেছিল সমালোচনার তির। প্রশ্ন উঠেছিল তার অভিজ্ঞতা নিয়ে। তবে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানেই ব্যাট হাতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার বিধ্বংসী ক্যামিওতে সিলেট টাইটান্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফিরল রংপুর রাইডার্স।

লক্ষ্য তাড়া ও রিয়াদের তাণ্ডব

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দেখেশুনে করেন রংপুরের দুই ওপেনার ডেভিড মালান ও লিটন দাস। ১৯ রান করে মালান বিদায় নিলে তৃতীয় উইকেটে তাওহীদ হৃদয়ও (৬) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। লিটন দাস ৩৫ (২৫ বল) রান করে আশা দেখালেও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। এরপর কাইল মেয়ার্স ৩১ রান করে আউট হলে ম্যাচটি কিছুটা কঠিন মনে হচ্ছিল।

ঠিক সেই মুহূর্তে দৃশ্যপটে হাজির হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মেহেদী হাসান মিরাজের এক ওভারেই ৩টি চার ও ১টি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ রংপুরের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসেন। ওই এক ওভার থেকেই আসে ১৯ রান। শেষ পর্যন্ত ১৬ বলে ৩৪ রানের অপরাজিত এক ঝড়ো ইনিংস খেলে জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া খুশদিল শাহ করেন ১১ বলে ১৯ রান।

সিলেটের ব্যাটিং বিপর্যয় ও মুস্তাফিজের মাইলফলক

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স। ওপেনার সাইম আইয়ুব ও মেহেদী হাসান মিরাজ দ্রুত বিদায় নেন। মিরাজকে আউট করার মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪০০ উইকেটের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমান।

মাঝপথে আফিফ হোসেনের ৩১ বলে ৪৬ এবং ইথান ব্রুকসের ৩০ বলে ৩২ রানের লড়াকু ইনিংসে সিলেট সম্মানজনক স্কোরের স্বপ্ন দেখলেও ডেথ ওভারে ধসে পড়ে তাদের ইনিংস। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৪ রানেই থমকে যায় সিলেট।

বোলিংয়ে রংপুরের দাপট

রংপুর রাইডার্সের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান ও ফাহিম আশরাফ। দুজনেই শিকার করেন ৩টি করে উইকেট। এছাড়া মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও আলিস ইসলাম পান একটি করে উইকেট।