
কিম কার্দাশিয়ানের আইনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার এই ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, গ্ল্যামার আর খ্যাতির পেছনেও থাকে হাড়ভাঙা খাটুনি এবং মানবিক সীমাবদ্ধতা। আপনার লেখাটি কিমের জীবনের এই কঠিন সময়টিকে বেশ সংবেদনশীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
একজন বিশ্বখ্যাত তারকা হওয়া সত্ত্বেও নিজের ব্যর্থতার কথা জনসমক্ষে স্বীকার করা অত্যন্ত সাহসের কাজ। কিম প্রমাণ করেছেন যে, ব্যর্থ হওয়া কোনো লজ্জার বিষয় নয়; বরং সেটি জীবনেরই অংশ।
বিনোদন জগতের ব্যস্ততা এবং আইনের মতো একটি জটিল বিষয়ের পড়ালেখা একসঙ্গে চালানো কতটা দুরূহ, তা ক্রিস জেনারের বক্তব্যে স্পষ্ট। এটি আমাদের শেখায় যে মাল্টি-টাস্কিং বা একসাথে অনেক কাজ করার যেমন সুফল আছে, তেমনি এর জন্য বড় মানসিক মাশুলও দিতে হতে পারে।
বিনোদন জগতের ব্যস্ততা এবং আইনের মতো একটি জটিল বিষয়ের পড়ালেখা একসঙ্গে চালানো কতটা দুরূহ, তা ক্রিস জেনারের বক্তব্যে স্পষ্ট। এটি আমাদের শেখায় যে মাল্টি-টাস্কিং বা একসাথে অনেক কাজ করার যেমন সুফল আছে, তেমনি এর জন্য বড় মানসিক মাশুলও দিতে হতে পারে।
কিম কার্দাশিয়ান চাইলে শুধু নিজের ব্যবসা বা শো নিয়েই থাকতে পারতেন। কিন্তু নতুন কিছু শেখার এবং নিজেকে প্রমাণের যে জেদ তিনি দেখিয়েছেন, তা অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণাদায়ক।
বিথী রানী মণ্ডল/









