শাকিব খান খালেদা জিয়ার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন

১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করা বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতির এক মহীয়সী নারী ছিলেন। ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে দেশ তিনটি মেয়াদে পরিচালিত হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাজনৈতিক নেতারা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত তাঁর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক প্রকাশে তারকা ও শিল্পীরা পিছিয়ে থাকেননি। ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান ফেসবুকে খালেদা জিয়ার একটি সাদাকালো ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।”

শাকিবের মতোই অনেক অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতারাও আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে শোক প্রকাশ করেছেন। চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস লিখেছেন, “বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এই চিরবিদায় মহাকালের সাক্ষী হয়ে রইলো।” এই মন্তব্যে বোঝা যায়, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব কতটা বিস্তৃত এবং গভীর।

খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নারীর ক্ষমতায়ন এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের প্রতীকও ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে নারী রাজনীতিবিদদের পথ প্রশস্ত হয়েছে এবং দেশীয় রাজনীতিতে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকৃত হয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেশের মানুষ তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করছে এবং তাঁর জন্য প্রার্থনা করছে। শোকসন্তপ্ত পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা জানানো ছাড়াও দেশের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ খালেদা জিয়ার জীবন ও নেতৃত্বকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার বিদায় শুধু এক ব্যক্তির নয়, এটি বাংলাদেশের রাজনীতির এক যুগের সমাপ্তি। তাঁর অবদান, নেতৃত্ব এবং দেশের জন্য তার অম্লান কর্মস্থল চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিথী রানী মণ্ডল/