‘বিগ বস্ ১৯’-এর ঘর থেকে বেরিয়েই ফের আলোচনায় তান্যা মিত্তল। শো চলাকালীন নিজের ঐশ্বর্য আর প্রভাবের নানা দাবি করে বারবার চর্চায় এসেছিলেন তিনি।কখনও বলেছিলেন, তাঁর রয়েছে ২৬ হাজার বর্গফুটের বিশাল বাড়ি, যেখানে নাকি কাজ করেন ৮০০ জন মানুষ। আবার দাবি করেছিলেন, সব সময় তাঁর সঙ্গে থাকেন ১৫০ জন নিরাপত্তারক্ষী।
বিশেষ মিষ্টি খেতে দুবাই, কফি খেতে তাজমহল এবং ডাল খেতে গ্বালিয়র থেকে দিল্লি যাতায়াত—এমন মন্তব্যে অনেকেই তাঁকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করেছেন। এমনকি সঞ্চালক সলমন খানও মঞ্চে তান্যাকে নিয়ে রসিকতা করতে ছাড়েননি।
অনুষ্ঠান থেকে বেরোনোর পর সেই আলোচনার পারদ আরও চড়ে। বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক দামি গাড়ির ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তান্যা দাবি করেন, সেগুলি তাঁরই। পাশাপাশি জানান, তাঁর একাধিক কাপড় ও প্রসাধনীসামগ্রী তৈরির কারখানা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি চমক জাগিয়েছে তাঁর নতুন এক ব্যবসার কথা—কন্ডোম তৈরির কারখানা।
একটি ভিডিয়োয় তান্যা নিজেই জানান, এই কন্ডোম তৈরির ফ্যাক্টরির মালিক তিনি। শুধু তাই নয়, কারখানায় তৈরি প্রতিটি পণ্যের গুণমান তিনি নিজে নজরদারি করে পরীক্ষা করেন বলেও দাবি করেন। তান্যার কথায়, বিদেশ থেকে আনা আধুনিক মেশিনের সাহায্যে তাঁর কারখানায় কন্ডোম তৈরি হয়। গুণগত মান বজায় রাখাই নাকি তাঁর ব্যবসার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।
এই ধরনের ব্যবসায় নামা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুললেও তান্যা বিষয়টি নিয়ে একেবারেই সোজাসাপ্টা। তাঁর মতে, এই ধরনের পণ্য নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনেকেই অস্বস্তি বোধ করেন। কিন্তু তিনি তাতে কোনও সংকোচ দেখেন না। তান্যা বলেন, তাঁর ব্যবসা অন্যদের থেকে আলাদা হলেও এটি একটি প্রয়োজনীয় পণ্য, আর সেই কারণেই তিনি গুণমানের দিকে বাড়তি গুরুত্ব দেন। তাঁর কারখানায় বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কারখানার বিভিন্ন অংশ ঘুরিয়ে দেখাচ্ছেন তান্যা। কখনও উৎপাদন প্রক্রিয়া, কখনও মান যাচাইয়ের ব্যবস্থা—সবই ক্যামেরার সামনে তুলে ধরেন তিনি। সব মিলিয়ে ‘বিগ বস্’-এর ঘর থেকে বেরিয়ে তান্যা মিত্তল যে নিজের ব্যবসা ও জীবনধারা নিয়ে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে, তা বলাই বাহুল্য।
বিথী রানী মণ্ডল/










