আগামী দিনের বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতৃত্ব কার হাতে যাবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আগামীকাল (২৬ ডিসেম্বর) শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন। দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিবেশ এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই সম্মেলনটি ছাত্রশিবিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভাপতির দৌঁড়ে এগিয়ে আছেন বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। তার সঙ্গী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি সিবগাতুল্লাহ, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ এবং দাক্ষু সহ-সভাপতি ও প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েমকে। তবে ছাত্রশিবিরের ইতিহাস বলে, গত ৩০ জন সভাপতির মধ্যে ২৯ জনই পূর্ববর্তী সেশনে সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় নুরুল ইসলাম সাদ্দামই হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
সংগঠনটির নেতৃস্থানীয়রা জানান, নতুন সভাপতি নির্বাচিত হবেন সারা দেশের সদস্যদের সরাসরি গোপন ভোটের মাধ্যমে। ২০২৫ সালের এই সম্মেলন ছাত্রশিবিরের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ—জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তরুণদের আকৃষ্ট করতে এবং সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরিবর্তিত পরিবেশে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে মেধাবী ও কৌশলী নেতৃত্বের প্রয়োজন।
শুক্রবার সকাল ৮টায় কুরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে শুরু হবে সম্মেলন। দুপুর ১টায় প্রথম অধিবেশন শেষ হওয়ার পর স্বল্প বিরতিতে দুপুর ২টায় শুরু হবে সমাপনী অধিবেশন। এতে গোপন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে নতুন সভাপতি এবং মনোনীত হবেন সেক্রেটারি জেনারেল।










