কুয়েটে ‘কেসস্পেকস থ্রি’: ২.৫ লাখ টাকার পুরস্কারে রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতা

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) তৃতীয়বারের মতো ফিরে আসছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কেস কম্পিটিশন ‘কেসস্পেকস থ্রি ২০২৫’

এবার প্রতিযোগিতা হবে আরও বড় পরিসরে—মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার, যা কুয়েটের ইতিহাসে একক কোনো ইভেন্টের সর্বোচ্চ। ছাত্রদের দক্ষতা উন্নয়নে নিয়োজিত ক্লাব স্পেক্ট্রাম আয়োজন করছে এই প্রতিযোগিতা, যেখানে ডেইলি ক্যাম্পাস রয়েছে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে।

অনন্য থিম ও রোমাঞ্চকর ফরম্যাট
এবারের আয়োজন আগের সব সংস্করণ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। প্রতিযোগীরা শুধু ‘দল’ নয়—তারা হবেন ‘প্লেয়ার’, সমস্যা হবে ‘কেসেস’, বিচারকরা হবেন ‘গেম মাস্টারস’ এবং জয় হবে ‘হাই স্কোর’ অর্জন। ৮০-এর দশকের ৮-বিট কম্পিউটার গেম থেমে সাজানো এই প্রতিযোগিতার প্রতিটি ধাপ একটি পূর্ণাঙ্গ গেমের আলাদা লেভেল হিসেবে উপস্থাপিত হবে—এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা।

প্রতিযোগিতার তিন স্তর
প্রথম রাউন্ড – লেভেল ওয়ান: দ্য গেটওয়ে
সকল দলের জন্য অনলাইনে বাস্তবমুখী কেস সমাধান। সেরা ৫০টি দল পরবর্তী পর্যায়ে উত্তীর্ণ হবে।

দ্বিতীয় রাউন্ড – লেভেল টু: দ্য ক্রসওয়ে সিগন্যাল
এটি একটি ভিডিও কমার্শিয়াল রাউন্ড। প্রদত্ত কেসের উপর ভিত্তি করে দলগুলোকে সৃজনশীল ভিডিও তৈরি করতে হবে। এখান থেকে সেরা ৮টি দল ফাইনালে পৌঁছাবে।

চূড়ান্ত রাউন্ড – বস ব্যাটল
কুয়েট ক্যাম্পাসে সরাসরি সম্পাদিত হবে ফাইনাল কেস সলভিং প্রতিযোগিতা। এখানেই নির্ধারিত হবে চ্যাম্পিয়ন ও বিজয়ীরা।

পুরস্কার বিতরণ
চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১ লাখ টাকা, প্রথম রানারআপ ৬০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় রানারআপ ৪০ হাজার টাকা, এবং বাকি ৫টি ফাইনালিস্ট দল ১০ হাজার টাকা করে। সংগঠকরা নিশ্চিত করেছেন যে ফাইনালে পৌঁছানো কেউই পুরস্কার ছাড়া ফিরবে না।

অংশগ্রহণের সুযোগ
১ থেকে ৪ জন সদস্যের দল অংশগ্রহণ করতে পারবে। রেজিস্ট্রেশন চলবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এবং ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি কুয়েট অডিটোরিয়ামে।

স্পেক্ট্রামের সভাপতি নাহিয়ান লামিম বলেন, “গত দুই বছর কেসস্পেকস সফল হয়েছে, তবে এবার আমরা এটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছি যাতে অংশগ্রহণকারীরা নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করে এবং এটিকে শুধু ইঞ্জিনিয়ারিং ইভেন্ট নয়, বরং একটি জেনারেল কেস কম্পিটিশন হিসেবে দেখে।”

গত আসরে ৩৭২টি দল, ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১,৩৮৯ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছিল। সেই বিশাল সাড়াই এবারের আরও বড় আয়োজনের অনুপ্রেরণা।

অর্ণব চাকমা/