দেশের সব পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় শ্রুতিলেখক বা ‘স্ক্রাইব’ নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন ‘পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় শ্রুতিলেখক-এর সেবা গ্রহণ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৫’ কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত এই নীতিমালা অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বা দুর্ঘটনার কারণে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে লিখতে অক্ষম পরীক্ষার্থীরা এই নীতিমালার আওতায় শ্রুতিলেখকের সহায়তা নিতে পারবেন। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন-২০১৩ অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের জন্য ‘সংগতিপূর্ণ বন্দোবস্ত’ বা ‘Reasonable Accommodation’ নিশ্চিত করতেই এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, শ্রুতিলেখক হতে হলে নির্দিষ্ট যোগ্যতা থাকতে হবে এবং স্পষ্ট উচ্চারণ, শুদ্ধ বানান ও দ্রুত লিখনে পারদর্শী ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এছাড়া পরীক্ষার্থীরা প্রয়োজনে বিশেষ সুবিধা যেমন- অতিরিক্ত আলোর ব্যবস্থা, নির্দিষ্ট উচ্চতার আসবাবপত্র, বা বিকল্প হিসেবে কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগও চাইতে পারবেন।
অর্ণব চাকমা/










