বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির ধাক্কা

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ওঠানামা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা দেশের স্বর্ণের বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলার ও সোনার মানের পরিবর্তন বাংলাদেশে সোনার মূল্যে বৃদ্ধি বা হ্রাসের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার মানের ওঠানামা, আন্তর্জাতিক শুল্কনীতি এবং স্থানীয় চাহিদা-সরবরাহের ভারসাম্যও স্বর্ণের মূল্যে প্রভাব ফেলে।

সোনার বাজারে ক্রেতাদের জন্য এখন সতর্ক থাকা জরুরি। যারা সোনার বিনিয়োগ করেন, তারা নতুন মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ক্রয় বা বিক্রয় পরিকল্পনা করতে পারেন। এ ছাড়াও, স্বর্ণের আভ্যন্তরীণ বাজারে খুচরা বিক্রেতারা ক্রেতাদেরকে সতর্ক করেছেন যে, নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পরই লেনদেন করুন, যাতে অতিরিক্ত মূল্য চাপ এড়ানো যায়।

এদিকে, সোনার বাজারে সাময়িক ওঠানামা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। তবে ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের উচিত বাজারের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা এবং বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া। বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, বৈদেশিক বাজারের দামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্থানীয় বাজারে ক্রয়-বিক্রয় করা সবচেয়ে নিরাপদ।

সোনার নতুন দাম—

২২ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ৮৩ টাকা

২১ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা

১৮ ক্যারেট : প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৫ টাকা

সনাতন পদ্ধতি : প্রতি ভরি ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৯৯ টাকা

সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।

এদিকে রুপার দামও বেড়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি চার হাজার ৯৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি চার হাজার ৭২৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি চার হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম তিন হাজার ৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিথী রানী মণ্ডল/