বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়রিী এই চার মাস শীত থাকলেও এবছর ডিসেম্বরের এই সময়ের মধ্যে এখনো তেমন শীতের দাপট দেখা যাচ্ছে না, তবে ধীরে ধীরে প্রকৃতি বাড়াচ্ছে ঠান্ডার ইশারা। যেহেতু আমাদের দেশে তিন ধাপে শীত পড়ে সেহেতু এই তিন সময়ের জন্য ভিন্ন ভিন্ন গরম কাপড় বা শীত বস্ত্রের চাহিদা থাকে।
আর তাই শীতের মৌসুমকে সামনে রেখে মার্কেট-শপিংমলগুলো ভরে উঠছে নতুন পোশাক-আশাকে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে সোয়েটার, শাল, জ্যাকেট, ব্লেজার, মাফলার, কম্বল ও চাদরসহ নানা রকম পোশাক ও শীত বস্ত্র আমদানি হয়েছে বিদেশ থেকে। আবার এসব পোশাকের একটি বৃহৎ অংশ দেশেও তৈরি হয়।
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ গরম কাপড় খুঁজতে ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় করে থাকে। ছোট থেকে বড় ছেলে ও মেয়েদের জ্যাকেট, সোয়েটার, ডেনিম জ্যাকেট, মাফলারসহ হরেক রকম গরম কাপড়ের সমাহার নিয়ে ফুটপাতে বসতে দেখা যায় বিক্রেতাদের। এসব দোকানে মানভেদে পোশাকের দাম ৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়া এলাকাভিত্তিক সাপ্তাহিক মেলায় স্বল্প দামে শীতের পোশাক বিক্রি হয়।
শীতের আগমনে সাজ সাজ রব উঠেছে ফ্যাশন হাউসগুলোতেও। ‘শীত মানেই নানা রং, কাপড় ও ফ্যাশনের বৈচিত্র্য। নকশায় ওয়েস্টার্ন, ফিউশন নাকি দেশীয়? কে কোন ধরনের শীত পোশাকে তৈরি করবেন নিজস্ব স্টাইল, তারই প্রস্তুতি চলছে ফ্যাশন হাউজগুলোতে।
শীত মানেই নানা রং, কাপড় ও ফ্যাশনের বৈচিত্র্য। নকশায় ওয়েস্টার্ন, ফিউশন নাকি দেশীয়? কে কোন ধরনের শীত পোশাকে তৈরি করবেন নিজস্ব স্টাইল, চলছে তারই প্রস্তুতি। একটা সময় শীতের পোশাক মানেই ছিল সোয়েটার, জ্যাকেট। এখন এমন পোশাকের পাশাপাশি ফিউশনধর্মী পোশাকও জায়গা করে নিয়েছে ট্রেন্ডে। চিরচেনা জ্যাকেটের আঁটসাঁট ধাঁচ থেকে বেরিয়ে যোগ হয়েছে নানা রকমের বৈচিত্র্য। একই কাপড়, রং, নকশায় জায়গা করে নিয়েছে বিভিন্ন প্রিন্টের ডিজাইন ও এনিম্যাল বা ফিগার মোটিভ। কাপড়েও রয়েছে ভিন্নতা। করডোরি জ্যাকেট, ক্রপ, ডেনিম, লেদার, ক্যানভাস, টুইল কিংবা কটন জ্যাকেট সর্ব জনপ্রিয়। ফরমাল কিংবা ক্যাজুয়াল যেকোনো লুকের জন্যই ব্লেজারের তুলনা নেই। এই হালকা শীতে ফিটেড ব্লেজার বেশ মানিয়ে যাবে। ব্র্যান্ডের দোকানে প্রোডাক্টগুলো মানসম্মত এবং একদাম হওয়ার কারণে ক্রেতারা কেনাকাটা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
সানা










