জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষায় অন্যের হয়ে পরীক্ষা (প্রক্সি) দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী। অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে এই সাজা প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর নাম মো. এহসানুল হক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ১০১৫ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্র।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ‘বি’ ইউনিটের (সমাজবিজ্ঞান অনুষদ) তৃতীয় শিফটের পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনের ৪০২ নম্বর কক্ষ থেকে এহসানুলকে আটক করা হয়। তিনি রাফিদ হোসেন সাজিদ নামের এক পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
পরীক্ষা চলাকালীন প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারার মিল না থাকায় দায়িত্বরত শিক্ষকদের সন্দেহ হয়। পরে তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি প্রক্সি দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এ সময় জাবির স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে থেকে মূল পরীক্ষার্থী রাফিদ হোসেন সাজিদকেও আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি রুখতে তারা অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। আটককৃত ঢাবি শিক্ষার্থীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে মূল পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।










