Honda NX200 লঞ্চে ভিড়, বাইকপ্রেমীদের নজর কাড়ছে নতুন মডেল

বাংলাদেশের বাইকপ্রেমীদের জন্য সুখবর—অবশেষে দেশে বাজারে চলে এসেছে বহুল প্রতীক্ষিত Honda NX200 বাইক। শনিবার অফিসিয়ালি লঞ্চ করা হয়েছে এই অ্যাডভেঞ্চার ধাঁচের নতুন বাইক। নকশা ও পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে এটি হোন্ডার প্রিয় হরনেট 2.0 এর সাথে অনেক মিল রাখে।

Honda NX200-এ রয়েছে ১৮৪.৪ সিসি, একসিলিন্ডার, এয়ার-ওয়েল কুলড ইঞ্জিন, যা হরনেটের মতোই ৮৫০০ আরপিএমে ১৬.৬ হর্সপাওয়ার শক্তি উৎপন্ন করতে সক্ষম। ৬০০০ আরপিএমে এটি ১৫.১ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। হরনেটের সঙ্গে তুলনা করলে, কমপ্রেশন রেটিও প্রায় একই ৯.৫:১।

শারীরিক দিক থেকে NX200 হরনেটের চেয়ে সামান্য বড়। এর দৈর্ঘ্য ২০৩৫ মিলিমিটার, চওড়া ৮৪৩ মিলিমিটার, উচ্চতা ১২৪৮ মিলিমিটার। হুইল বেস ১৩৫৫ মিলিমিটার এবং সিটের উচ্চতা ৮১০ মিলিমিটার। বাইকের ওজন ১৪৭ কেজি এবং গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৬৭ মিলিমিটার। ফুয়েল ট্যাংক ধারণক্ষমতা ১২ লিটার, যা দীর্ঘ দূরত্বের রাইডের জন্য সুবিধাজনক।

নতুন NX200-এ রয়েছে আধুনিক ফিচারের ভান্ডার। বাইকে আছে ফুল ডিজিটাল TFT মিটার কনসোল, ট্র্যাকশন কন্ট্রোল, ইউএসবি চার্জিং পোর্ট এবং সাইড স্ট্যান্ড ইঞ্জিন কাট। আলোকসজ্জা হিসেবে বাইকে ব্যবহার করা হয়েছে এলইডি লাইটিং সিস্টেম, যা রাইডিং অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করেছে।

ফেরারঙের বিকল্পেও এটি লুকসে নজর কাড়ছে। বাইকটি পাওয়া যাবে রেডিয়্যান্ট রেড মেটালিক এবং পার্ল এক্সাইজ ব্ল্যাক—দুইটি মার্জিত রঙে। বাজারে Honda NX200-এর দাম ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা।

বিশেষভাবে, অ্যাডভেঞ্চার এবং শহুরে রাইডের জন্য এই বাইকটি সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য, আর দীর্ঘ রাইডেও আরামদায়ক। নতুন মডেলের ডিজাইন, শক্তিশালী ইঞ্জিন এবং আধুনিক ফিচার একসঙ্গে থাকায় এটি বাইকপ্রেমীদের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

Honda NX200-এর লঞ্চ বাংলাদেশের বাইকপ্রেমীদের জন্য নতুন রোমাঞ্চ এবং অ্যাডভেঞ্চারের সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে। যাত্রা হোক শহরে, হাইওয়েতে বা পাহাড়ি পথে—এটি একটি বহুমুখী বাইক, যা দীর্ঘ সময় ধরে রাইডারদের সঙ্গে থাকতে পারে।

 

বিথী রানী মণ্ডল/