শরীরের বহু জটিল রোগের যম কুমড়ো শাক!

শীতে অনেক ধরনের শাক-সবজি পাওয়া যায়। এদের মধ্যে অন্যতম ও অনেকেরই খুব প্রিয় একটি শাক হচ্ছে কুমড়ার শাক। এই সবুজ পাতার পিছনে লুকিয়ে আছে অগণিত পুষ্টিগুণ যা শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।  কুমড়োর শাকে প্রচুর প্রটিন রয়েছে, যা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব উপকারী। এছাড়া এই শাক খেলে রক্তের কোলেস্টেরলও নিন্ত্রণে থাকে।

প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই শাক শরীরে ক্ষত সারাতে বেশ কার্যকর। তাই যেকোন আঘাত দুর করতে কুমড়ার শাক খাওয়া যেতে পারে। এই শাক হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সহায়তা করে। দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ছানির মতো সমস্যাও প্রতিরোধ করে কুমড়ো শাক।

এছাড়া ভিটামিন-এ ও সি-সমৃদ্ধ কুমড়োর শাক  ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে এবং সেই সঙ্গে চুলও ভালো থাকে। নতুন মায়েদের সুস্থতায় শরীরের প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি সরবরাহ করে বলে যেসব মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান, তাদের জন্যও কুমড়ো শাক খুব উপকারী।

রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ প্রোটিন-সমৃদ্ধ কুমড়োর শাক রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব উপকারী। এ ছাড়া এই শাক খেলে রক্তের কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এই শাকটি সহজলভ্য ও স্বাস্থ্য ভালো রাখা ক্ষেত্রে এটির বিকল্প নেই। ভর্তা, ভাজি, পাতুরি, তরকারি নানাভাবে এই শাক খাওয়া যায়। তাই খাদ্য তালিকায় এই শাকটি রাখা যেতে পারে।