জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর গত ১২ ডিসেম্বর গুলি চালানো হয়। এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করতে প্রশাসনের ব্যর্থতার প্রতিবাদে ছাত্রশক্তি এই দাবি জানিয়েছে।
ছাত্রশক্তি অভিযোগ করেছে যে বিপ্লবীদের নিরাপত্তা দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যর্থ হয়েছে এবং দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে।
১৮ ডিসেম্বর বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ হাসান এই হুঁশিয়ারি দেন। এর আগে ১৫ ডিসেম্বরও তারা একই দাবিতে শাহবাগ মোড় প্রায় তিন ঘণ্টা অবরোধ করে রেখেছিল।
প্রধান উপদেষ্টাকে লক্ষ্য করে ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমরা সাবধান করে দিচ্ছি ড. ইউনূসকে। আপনার যদি মনে হয়, এই কণ্ঠ আপনার কানে পৌঁছায় না, যমুনার পাশে গিয়ে কণ্ঠ পৌঁছে দিয়ে আসব।…যদি আজকে রাতে শান্তিতে ঘুমাতে চান, তাহলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের ব্যবস্থা করেন। না হলে রাতে আপনার বাসার পাশে গিয়ে এ কণ্ঠ শোনানো হবে।’
ছাত্রশক্তির এই নেতা বলেন, ‘আলু আর পেঁয়াজের দামের জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দরকার নেই, বাণিজ্য ও কৃষি উপদেষ্টা আছেন। এমন একজন মানুষ, যাঁর কোনো সেন্স নেই, নিরাপত্তা নিয়ে কোনো চেষ্টা নেই, তাঁর মতো স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের দরকার নেই।’
সমাবেশে ছাত্রশক্তির নেতা–কর্মীরা ‘হাদিরা মরে না, ২৪ হারে না’, ‘৭১–এর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’সহ নানান স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর তাঁরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য হয়ে ভিসি চত্বরে যান। সেখান থেকে আবার রাজু ভাস্কর্যে আসেন। পরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলমের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।
মামুন









