কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর ২০২৫) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও হত্যাযজ্ঞের অভিযোগে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে এই আদেশ দেওয়া হয়

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। বৃহস্পতিবার চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ কথা জানান।

এদিন সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর রেজিস্ট্রারের কাছে অভিযোগ দাখিল করা হয়। এই সাতজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনাল ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এছাড়া আসামিদের গ্রেপ্তার করে আগামী ২৯ ডিসেম্বর আদালতে হাজির করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলা হয়েছে।

তাজুল ইসলাম বলেন,  ওবায়দুল কাদের তৎকালীন সরকার ও দলের প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন। জুলাই-আগস্টের গণহত্যা, পরিকল্পনা ও নির্দেশ দেওয়ায় ভূমিকা রেখেছেন। তার দলের বাহাউদ্দিন নাছিমদের ভূমিকা ছিল। এছাড়া যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ সরাসরি অক্সিলারি ফোর্স হিসেবে ছিল। সে কারণে তাদের মামলার আসামি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আপামর ছাত্র-জনতা ও শিশু-কিশোরদের ওপর হওয়া অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ন্যায়বিচার কারো জন্য বসে থাকবে না। তারা যদি হাজির না হন, আইনিভাবে মোকাবিলা না করেন সেক্ষেত্রে আইন নিজের গতিতে চলবে।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলি আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের  ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান।
মামুন