চিনে কেউ পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনে না কেন?

চিনে পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার তেমন রেওয়াজ নেই। পথেঘাটে সামান্য ক’টা টাকা দিলেই ভাড়াও পাওয়া যায় এই গ্যাজেট।

লম্বা রাস্তা পাড়ি দিলে অনেক সময়েই ফুরিয়ে যায় মোবাইল ফোনের চার্জ। এই সমস্যা সমাধানে অনেকেই ব্যবহার করেন পাওয়ার ব্যাঙ্ক। ভারতের উত্তরের প্রতিবেশী চিনে কিন্তু এই ডিভাইসটি কেনার তেমন রেওয়াজ নেই। কারণ ড্রাগনভূমির ঝাঁ-চকচকে শপিং মলগুলিতে দিব্যি ভাড়া পাওয়া যায় পাওয়ার ব্যাঙ্ক। বিশেষ ধরনের একটি লকারে সাজানো থাকে সেগুলি।

চিনে পাওয়ার ব্যাঙ্ক ভাড়া দেওয়ার ব্যবসাটি ভারি অদ্ভুত। শপিং মল বা বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় থাকা লকার থেকে যে কেউ সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটি টেনে বার করে নিতে পারেন। ওই পাওয়ার ব্যাঙ্কে থাকে দু’টি কেবল বা তার। একটি হল, লাইটনিং পোর্ট প্লাস এবং অপরটি ইউএসবি টাইপ সি চার্জার। পাওয়ার ব্যাঙ্ক থেকে প্রয়োজনমতো তার বার করে মোবাইল ফোনে দিব্যি চার্জ দিতে পারবেন ব্যবহারকারী।

এ ভাবে পাওয়ার ব্যাঙ্ক ভাড়া নিতে গ্রাহককে জমা রাখতে হবে ১০০ আরএমবি। প্রতি ঘণ্টায় তিন আরএমবি করে চার্জ কাটবে তাঁর। ব্যবহারকারী ইচ্ছামতো সময় ধরে তাঁর মোবাইল ফোন চার্জ দিতে পারবেন। চার্জিং শেষ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফের ওই কিয়স্কে পাওয়ার ব্যাঙ্কটি ফেরত দিলে জমা রাখা টাকা ফেরত পাবেন তিনি।

পাওয়ার ব্যাঙ্ক ভাড়ার চার্জের বিষয়টি উদাহরণের সাহায্যে বুঝে নেওয়া যেতে পারে। ধরা যাক কোনও ব্যক্তির মোবাইল ফোনের সম্পূর্ণ চার্জ দিতে সময় লাগল এক ঘণ্টা। সে ক্ষেত্রে পাওয়ার ব্যাঙ্কটি ফেরত দিলে ৯৭ আরএমবি ফেরত পাবেন। কারণ, তিনি ১০০ আরএমবি ডিপোজিট রেখেছিলেন। আর এক ঘণ্টা চার্জ দেওয়ায় বিল উঠেছে তিন আরএমবি।