হ্যাকার আপনার ডিভাইস এবং ইন্টারনেটের মাঝখানে অবস্থান করে আপনার পাঠানো সকল ডাটা চুরি বা পরিবর্তন করতে পারে।
অনেক সময় হ্যাকাররা ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করে আপনার ফোনে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস ঢুকিয়ে দিতে পারে।
হ্যাকাররা অনেক সময় পরিচিত কোনো জায়গার নামে (যেমন- “Free_Airport_WiFi”) ভুয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করে রাখে যা ব্যবহার করলে আপনার ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে চলে যেতে পারে।
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার ক্রোম।
স্মার্টফোন বা কম্পিউটার– সব ডিভাইসেই এ ব্রাউজার জনপ্রিয়। গুগল উদ্ভাবিত ক্রোম ব্রাউজারে অনেক ধরনের প্লাগইন সুবিধা বিদ্যমান।
সারাবিশ্বে নেট দুনিয়ায় ব্রাউজার থেকে সার্চ তথ্য চুরির ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। ব্রাউজার সুরক্ষায় যত্ন না করলে ঘটতে পারে বিপত্তি।
ব্রাউজার ব্যবহারে ডিজিটাল নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা আগে থেকেই সতর্ক করে আসছেন। নিয়মিত আপডেট না দিলে ক্রোম হবে ধীরগতির। এ ক্ষেত্রে হ্যাকার
আর হ্যাকিং থেকে সতর্ক থাকা জরুরি।
নিরাপত্তায় যা করবেন
ব্রাউজার নিয়মিত রিফ্রেশ করা প্রয়োজন। প্রতিদিন ব্রাউজার কুকি মুছে ফেলতে হবে।
ব্রাউজার (ক্রোম) নিয়মিত বিরতিতে আপডেট করতে হবে। ফলে আগের সংস্করণের বাগ সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। গুগল ক্রোমে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের সুযোগ
এ সুবিধা এড়িয়ে যেতে হবে।
ক্রোম ব্রাউজারের সার্চ বক্সে যে কোনো লিঙ্কে হুটহাট প্রবেশ না করা। কারণ, হ্যাকার এখানে প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করে।
ওয়াইফাই ব্যবহারে সতর্ক পাবলিক ওয়াইফাই যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়া। নিরাপত্তাহীন নেটওয়ার্কে যে কোনো ডিভাইস মুহূর্তেই হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।
কম্পিউটারে নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাস আপডেট রাখতে হবে। ইমেইলে আসা অপরিচিত লিঙ্কে নিশ্চিত না হয়ে তাতে প্রবেশ থেকে
বিরত থাকতে হবে।
-মামুন










